গাজোলে ফিরলেন দিপালী বিশ্বাস, বরণ উচ্ছ্বাসহীন

127

গাজোল: গত ১৯ ডিসেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুরে অমিত শায়ের জনসভায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন বিধায়ক দিপালী বিশ্বাস। তারপর থেকে বাইরে ছিলেন তিনি। রবিবার তিনি ফিরলেন গাজোলে। বিজেপির পক্ষ থেকে তাকে বরণ করে নেওয়া হল। কিন্তু বরণ করাকে কেন্দ্র করে তেমন উচ্ছ্বাস এদিন চোখে পড়েনি।

এদিন দুপুরে সড়কপথে মালদা থেকে গাজোলে আসেন তিনি। পান্ডুয়াতে তাকে বরণ করে নেন বিজেপির নেতাকর্মীরা। এরপর মোটরসাইকেল মিছিলের মধ্য দিয়ে গাজোলে নিয়ে আসা হয় তাকে। গাজোলের বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে করার পর কদুবারি মোড় এলাকায় বিজেপি কার্যালয়ে আরেকপ্রস্থ সংবর্ধনা জানানো হয়।

- Advertisement -

সংবর্ধনার পর দিপালী বিশ্বাস জানান, সিপিএমপ্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করার পর তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তৃণমূল নেতৃত্বের তাকে কথা দিয়েছিল তাঁর মাধ্যমেই গাজলের উন্নয়ন করা হবে। তিনি দাবি জানিয়েছিলেন, গাজোলে একটি দমকল কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। মহিলা কলেজের জন্য জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অবিলম্বে মহিলা কলেজ স্থাপন করতে হবে। দাবি জানানো হয়েছিল, শংকরপুর মোড় এলাকায় উন্নত মানের বাসস্ট্যান্ড তৈরি করতে হবে। এছাড়াও গাজোলের দীর্ঘদিনের চাহিদা অনুযায়ী গাজোলকে পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। গাজোল গ্রামীণ হাসপাতালকে জেলা হাসপাতাল অথবা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে উন্নীত করতে হবে। গাজোলের নিকাশি ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। কিন্তু তার একটাও করা হয়নি। যার ফলে তৃণমূলের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে দল ছেড়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি বিজেপির একজন কর্মী হয়ে কাজ করতে চান।

বিজেপি নেতা ঠাকুরদাস সরকার বলেন, ‘তৃণমূল এখন তোলাবাজের দল হিসেবে পরিণত হয়েছে। তোলার টাকা নিয়ে নিজের দলের মধ্যেই গন্ডগোল চলছে। তাই তৃণমূলে এখন আর কেউ থাকতে চাইছে না। বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর পরিমাণে তৃণমূলকর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির উন্নয়ন মূলক কাজ দেখেই মানুষ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। একইভাবে বিধায়ক দিপালী বিশ্বাসও বিজেপিতে এসেছেন। এখন যা অবস্থা তাতে তৃণমূলের বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা। আমরা সবাই মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে এক সঙ্গে লড়াই করব।’ এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য সাগরিকা সরকার, বিজেপি নেতা ঠাকুরদাস সরকার, মন্টু মার্ডি প্রমুখ।