কুমারগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিজেপি নেতা

291

সামসী: গুলিবিদ্ধ বিজেপি নেতা। রবিবার রাতে ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রতুয়া-২ ব্লকের শ্রীপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কুমারগঞ্জ এলাকায়। জখম বিজেপি নেতার নাম সাদেক আলি ওরফে কালু। তিনি ১৮ নম্বর জেলা পরিষদের মণ্ডল সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর বাড়ি কুমারগঞ্জ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপি নেতা সাদেক আলি গতকাল সন্ধ্যায় সংগঠনের কাজে সামসী এসেছিলেন। কাজ সেরে রাতে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। কুমারগঞ্জ ঢোকার আগে অজ্ঞাত পরিচয় এক দুষ্কৃতী তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে সেখান থেকে চম্পট দেয়। মোট পাঁচ রাউন্ড গুলি চলে। গুলি গাড়ি ভেদ করে তাঁর বাম হাতে লাগে। এদিকে গুলির আওয়াজে স্থানীয়দের ঘুম ভেঙে যায়। তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে জখম অবস্থায় ওই বিজেরি নেতাকে স্থানীয় কুমারগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করা হয়। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

- Advertisement -

ঘটনার অভিযোগ উঠেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সহ সভাপতি অভিষেক সিংহানিয়া বলেন, ‘লোকসভা নির্বাচনের পর সাদেক আলি ওরফে কালু ১৮ নম্বর জেলা পরিষদের মণ্ডল সভাপতির দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর সংখ্যালঘু এলাকায় বিজেপি ভালোই প্রভাব বিস্তার করে। এটাই শাসকদলের কাল হয়। তাই তাঁকে মেরে ফেলার জন্য টার্গেট করে তৃণমূল।’ পাশাপাশি তাঁদের দলের নেতার ওপর এরকম বর্বরোচিত হামলার বিষয়টি দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যদিও তৃমমূলের তরফে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রতুয়া-২ ব্লক সভাপতি মহম্মদ নৈমুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পুলিশি তদন্ত হলেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।’ তবে এই ঘটনার নিন্দা করেছেন তিনি। চাঁচলের এসডিপিও শুভেন্দু মন্ডল বলেন, ‘ঘটনার কথা শুনেছি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।’