ফালাকাটায় তৃণমূলকে ‘টাইট’ দেওয়ার বার্তা দিলীপের

0
884
- Advertisement -

ফালাকাটা: ফালাকাটায় তৃণমূল কংগ্রেসকে টাইটদেওয়ার বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কীভাবে এই উপনির্বাচনে লড়াই করে জিততে হবে, সেই মন্ত্রও বুধবার দিলীপবাবু দলীয় নেতাকর্মীদের দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। তাঁর বৈঠকের পর আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপি অনেকটাই উচ্ছ্বসিত। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের ফালাকাটার ব্লক সভাপতি সন্তোষ বর্মন বলেন, কে কাকে টাইটদেবে তা সময়ই বলবে। আমরা মানুষের পাশে থেকে লড়াই করব।

ফালাকাটায় উপনির্বাচনের সম্ভাবনা থাকায় বুধবার জটেশ্বরের সুকান্ত ভবনে সাংগঠনিক বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি প্রথম দফায় কোচবিহারের জেলা কমিটিকে নিয়ে বৈঠক করেন। তবে দ্বিতীয় দফায় আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপির কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রায় আড়াই ঘন্টা বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের অধিকাংশ আলোচনাই ছিল ফালাকাটার উপনির্বাচন নিয়ে।

সূত্রের খবর, এই বৈঠকে দলের মন্ডল সভাপতি, মোর্চার সভাপতি, দলীয় পর্যবেক্ষক, উপনির্বাচনের জন্য নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সহ জেলার মোট ৯০ জন কর্মকর্তার আমন্ত্রণ ছিল। জানা গিয়েছে, সেখানে ৯০ জন প্রতিনিধিই উপস্থিত ছিলেন। প্রথমেই স্বাগত ভাষণ দেন জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। তারপর এই জেলার ২২টি মন্ডলের সভাপতির কাছ থেকে দলীয় রিপোর্ট সংগ্রহ করেন রাজ্য সভাপতি। সেক্ষেত্রে ফালাকাটার চারটি মন্ডলের বিস্তারিত রিপোর্ট সংগ্রহ করেন তিনি। কারণ, এখানে সামনেই উপনির্বাচন। দলের অবস্থান জানার পর ফালাকাটা উপনির্বাচনে জেতার কৌশল দলীয় নেতাকর্মীদের বাতলে দিয়েছেন দিলীপ বাবু।

বিজেপি সূত্রের খবর, বৈঠকে দিলীপ বাবু বলেছেন, এই উপনির্বাচনেই ফালাকাটায় তৃণমূল কংগ্রেসকে টাইটদিতে হবে। এজন্য জেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ফালাকাটায় ঝাপিয়ে পড়তে হবে। তৃণমূলকে আর ভয় পেলে চলবে না। সাংগঠনিকভাবে ফালাকাটার অবস্থান এখন অনেকটাই ভালো। তাই এই উপনির্বাচনের লড়াই গোটা রাজ্যের মধ্যে মডেল হতে চলেছে। এক্ষেত্রে করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের নানা ব্যর্থতার বিষয়গুলিও জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি।

তবে বাইরে এনিয়ে কিছুই বলতে চাননি দিলীপ বাবু। দলের জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, রাজ্য সভাপতি এদিন ফালাকাটা উপনির্বাচনে জেতার জন্য মন্ত্র দিয়েছেন। সেই মন্ত্রেই আমরা কাজ করব। করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতাও তুলে ধরা হবে। এদিনের বৈঠকে আমন্ত্রিত ৯০ জনই উপস্থিত ছিলেন। তবে পুরোটাই সাংগঠনিক বৈঠক। দলের অভ্যন্তরীণ অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাইরে সব বলব না।

- Advertisement -