কার্যালয় ভাঙচুরে বিজেপি নেত্রীকে বহিষ্কার, আরও ২ নেতাকে শোকজ

79

হরিশ্চন্দ্রপুর: হরিশ্চন্দ্রপুর সহ মালদার বেশ কয়েকটি বিধানসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন বিজেপি কর্মীরা। তাঁরা জেলার বেশ কয়েকটি দলীয় কার্যালয়ে কয়েকদিন আগে ভাঙচুরও চালান। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দলের জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিজেপির জেলা সভাপতি গোবিন্দচন্দ্র মণ্ডল। বিক্ষুব্ধ কর্মীদের বিরুদ্ধে এদিন ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে গোবিন্দবাবু জানান, জেলা পরিষদের বিজেপি সদস্য সাগরিকা সরকারকে দল বিরোধী কার্যকলাপের জন্য বহিষ্কার করা হল। এর পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, জেলা ও মণ্ডলস্তরের বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে শোকজ করা হয়েছে। দলের জেলা কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় বাকিদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

বিজেপি সূত্রের খবর, শোকজের তালিকায় রয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর দক্ষিণ মণ্ডল সভাপতি রুপেশ আগরওয়াল, জেলা সাধারণ সম্পাদক কিষান কেডিয়া। এবিষয়ে রুপেশ আগরওয়াল বলেন, ‘সংবাদমাধ্যম থেকে আমি জানতে পেরেছি যে, আমাকে জেলা বিজেপির তরফে থেকে শোকজ করা হয়েছে। প্রার্থীপদ নিয়ে আমরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলাম। সেই সিদ্ধান্তেই এখনও পর্যন্ত আমরা দাঁড়িয়ে রয়েছি। দলের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ বাইরের একজনকে হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা আসনে প্রার্থী করেছেন। সেটা আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। যথা সময়ে শোকজের উত্তর দেব।‘

- Advertisement -

অন্যদিকে, কিষান কেডিয়া বলেন, ‘আমরা হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার জন্য ২১ জনের তালিকা পাঠিয়েছিলাম। তার মধ্যে মতিউর রহমানের নাম ছিল না। কিন্তু জেলার কিছু নেতা টাকার বিনিময়ে এই আসন বিক্রি করেছেন। সেটা আমরা কিছুতেই মেনে নেব না। আমাকে শোকজ করা হয়েছে। যদিও এখনও শোকজের কোনও চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে যথা সময়ে উত্তর দেব।‘ সাগরিকা সরকার বলেন, ‘গোবিন্দ মণ্ডল জেলা সভাপতি পদের যোগ্য নন। আমি এখনও বহিষ্কারের চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে এবিষয়ে জানাব।‘

এদিকে, বিজেপির প্রার্থী মতিউর রহমান এ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তিনি ইতিমধ্যেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রচারে নেমে পড়েছেন।