জলপাইগুড়ির সাংসদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির

212

হলদিবাড়ি ও জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ির সাংসদ ডঃ জয়ন্ত রায়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে হলদিবাড়ি থানায় বিক্ষোভ প্রদর্শনের পাশাপাশি স্মারকলিপি প্রদান করল বিজেপি। শনিবার হলদিবাড়ি টাউন মণ্ডল কমিটির তরফে হলদিবাড়ি থানার সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে আইসি দেবাশিস বসুর মাধ্যমে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। মেখলিগঞ্জ মহকুমার কো-অর্ডিনেটর স্বপন সরকার ও টাউন মণ্ডল কমিটির সভাপতি হিতেন রায়ের অভিযোগ, তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতা দখলের পর থেকে আতঙ্কে ঘর ছাড়েন জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের ভাণ্ডারিগঞ্জের ১৩ জন বিজেপি কর্মী। গত শুক্রবার সেই সব কর্মীদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়। তাঁদের অভিযোগ, সেই সময় হামলা চালায় তৃণমূল। দলীয় কর্মীদের বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংসদ ডঃ জয়ন্ত রায়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। এ প্রসঙ্গে আইসি দেবাশিস বসু বলেন, ‘স্মারকলিপি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হবে।‘

অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল জেলা বিজেপি। অভিযোগ, বাংলাদেশের নাগরিক যারা চোরা চালানের সঙ্গে যুক্ত এমন ব্যক্তিদের ব্যবহার করে এই হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। এদিন প্রায় এক ঘণ্টা বিক্ষোভ চালায় জেলা বিজেপির নেতা কর্মীরা। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী, বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি পলেন ঘোষ, বিজেপি নেতা শ্যাম প্রসাদ সহ একাধিক নেতৃত্ব। জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী বলেন, ‘শুক্রবার রাতে বিজেপির সাংসদ জয়ন্ত রায় দলের কিছু কর্মীকে নিয়ে রাজগঞ্জ ব্লকের ভাণ্ডারিগঞ্জে ঘরছাড়া কর্মীদের ঘরে ফিরিয়ে আনতে গিয়েছিলেন। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সাংসদ ও বিজেপি কর্মীদের ওপরে হামলা চালায়। কর্মীদের বাঁচাতে গিয়ে সাংসদ নিজে জখম হয়েছেন।‘ অন্যদিকে, জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘নির্বাচনে হারার পরে প্রতিটা ক্ষেত্রেই বিজেপি তৃণমূলের দিকে আঙ্গুল তুলছে। এখানেও সেটাই করবে স্বাভাবিক। আসলে বিজেপি এখন উন্মাদ হয়ে মানসিক অবসাদে উলটো পালটা বকছে।‘

- Advertisement -