ব্যাংক দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপির বিক্ষোভ

263

রায়গঞ্জঃ রায়গঞ্জ সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকে ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে। এই দুর্নীতির সঙ্গে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত। অবিলম্বে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবি জানিয়ে সোমবার রায়গঞ্জ সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। এরপর ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজারের কাছে ব্যাঙ্কের স্বচ্ছতার পাশাপাশি কোভিড পরিস্থিতিতে অন্যায় ভাবে বদলি করে দেওয়া ৩৫ জন কর্মীকে নিজ নিজ জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে আনার দাবিতে স্মারকলিপি দেন বিজেপি নেতৃত্ব।

বিজেপি নেতা বরুণ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে এদিন মিছিল করে ব্যাঙ্কের সামনে হাজির হন কর্মী-সমর্থকেরা। সেখানে ব্যাঙ্কের বিভিন্ন দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ নিয়ে সরব হন তারা। বিজেপির রায়গঞ্জ শহর মন্ডলের সভাপতি অভিজিৎ যোশি বলেন, এই ব্যাঙ্কের প্রতিটি শাখায় ব্যাপক দুর্নীতি চলছে। ঘটনার প্রতিবাদ করায় বহুকর্মীকে বদলি করা হয়েছে। কলকাতা থেকে তৃণমূলের কিছুকর্মী এখানে নিয়োগ হয়েছে। তারা এই দুর্নীতিতে মদত দিচ্ছে। তাই অবিলম্বে এই চেয়ারম্যানকে বহিষ্কার করা না হলে আগামী ৯ অক্টোবর বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি।

- Advertisement -

বিজেপি জেলা নেতা বরুন ভট্রাচার্য জানান, রায়গঞ্জ সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান তিলক চৌধুরী আজ থেকে কোনও রকম সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। কারণ এই বোর্ডের মেয়াদ আর কিছুদিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা আনতে হবে এবং করোনা কালে যে ৩৫ জন কর্মীর ট্রান্সফার করা হয়েছে, অবিলম্বে তাদের ফিরিয়ে আনতে হবে।

ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজার তাপস বিশ্বাস বলেন, আমি এই বিষয়ে অবশ্যই সিও সাহেবকে জানাব। আপাতত তিনি ছুটিতে আছেন। সিও সাহেব আমাকে যা করতে বলবেন আমি তাই করব। রায়গঞ্জ সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান তিলক চৌধুরী বলেন,আজ আমাদের আগে থেকে না জানিয়ে বিজেপি বিক্ষোভ দেখিয়েছে। তারা ব্যঙ্কে এসে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করেছে। তাছাড়া, তাদের অভিযোগের সত্যতা নেই। যাদের বদলি করা হয়েছে তারা এক শাখায় দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে ওই শাখার আধিকারিকেরা নানা অভিযোগ করছিলেন। তাই ব্যাংক চালাতে গেলে আধিকারিকদের কথা তো শুনতেই হবে। কোভিড পরিস্থিতির জন্য ৬ মাস আটকে ছিল। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই বদলি কার্যকর করা হয়েছে।