দিলীপ ঘোষের ওপর হামলার অভিযোগে বিজেপির বিক্ষোভ

180

শিলিগুড়ি ও কোচবিহার: দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে শিলিগুড়িতেও প্রতিবাদ আন্দোলন সংগঠিত করল বিজেপি।

বৃহস্পতিবার ১ নম্বর মণ্ডলের তরফে মহকুমা শাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তবে বিশাল পুলিশ বাহিনীর উপস্থিত থাকায় কোনও অঘটন ঘটেনি। দোষীদের শাস্তির দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয় মহকুমা শাসককে। বিজেপি নেতা কানাইয়া পাঠক বলেন, রাজ্যের সর্বত্র নৈরাজ্য কায়েম করেছে তৃণমূল। পরিকল্পনা করে হামলা চালানো হয়েছে। তার প্রতিবাদেই বিক্ষোভ দেখান হল।

- Advertisement -

এদিন সকালে বিজেপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তবে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। পুলিশের তরফে জলকামান রাখা হয়েছে। পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে পরে ছেড়ে দেয়।

এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে কোচবিহারের কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করল বিজেপি। এদিন কোচবিহারে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। মিছিল শেষে কোতোয়ালি থানায় জমায়েত করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। দলের রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা সভাপতি মালতি রাভা সহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। রাজুবাবু বলেন, অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। পুলিশ প্রশাসন সঠিক নিরাপত্তা দিতে পারছে না।

দিলীপ ঘোষের ওপর হামলার অভিযোগে বিজেপির বিক্ষোভ| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

উল্লেখ্য, বুধবার সকালে কলকাতার নিউটাউনে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে নিজের আবাসনের সামনেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিজেপির রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এর পাশাপাশি তাঁর গাড়ি ভাঙচুরও হয় বলে অভিযোগ।

দিলীপ ঘোষের ওপর আক্রমণের ঘটনায় জানা গিয়েছে, কয়েকদিন ধরেই তিনি কলকাতার নিউটাউনের জোতভীম এলাকায় নতুন একটি আবাসনের ফ্ল্যাটে থাকছেন। সেখানে রোজই সকালে বেরিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি চলে চা চক্রের মতো ছোট ছোট কর্মসূচিও। বুধবারও তেমনই একটি চা চক্রের আয়োজন করা হয় দিলীপ ঘোষের আবাসন সংলগ্ন এলাকায়। দিলীপ ঘোষ ওই কর্মসূচীতে যোগ দিতে যাওয়ার পথেই গন্ডগোল শুরু হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর বিক্ষোভ চরমে ওঠে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ওইদিন সকাল থেকেই দিলীপের কর্মসূচি ঘিরে স্থানীয় বিজেপি নেতা অনুপম ঘোষের নেতৃত্বে প্রস্তুতি চলছিল। সেই সময় স্থানীয়দের একাংশ তাঁদের বাধা দেন বলে অভিযোগ। তাঁরা জানান, এখানে বিজেপির কোনও কর্মসূচি করা যাবে না। ওই সময় অনুপমবাবুর মোবাইলও কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের দাবি, বাধাদানকারীরা  তৃণমূল সমর্থক। পরিকল্পিত ভাবেই দলের রাজ্য সভাপতির কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছেন।