সন্দেশখালি, ৯ জুনঃ শনিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির সংঘর্ষের পর রবিবার সকালেও থমথমে উত্তর ২৪ পরগণার ন্যাজাটের হাটগাজি এলাকা। ঘটনাস্থলে টহল দিচ্ছে পুলিশ। গতকাল পতাকা খোলাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। মৃতদের মধ্যে তিনজন তাদের সমর্থক বলে বিজেপির দাবি। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি বিজেপির আক্রমণে তাদের এক সমর্থক মারা গিয়েছে। এখনও কয়েকজনের খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধার করতে মাছের গাড়ি ও ভেড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সন্দেশখালি-ন্যাজাট-মিনাখাঁ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।

রবিবার সকালে হাটগাজি যাবে বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল। ওই দলে থাকবেন মুকুল রায় ও বিজেপির পাঁচ সাংসদ দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, শান্তনু ঠাকুর ও জগন্নাথ সরকার। এছাড়া প্রতিনিধি দলে থাকবেন সায়ন্তন বসু ও দুলাল বর।

গতকাল রাতেই সন্দেশখালির ঘটনার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা-কে জানান মুকুল রায়। রাজ্যের কাছে এই ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট চেয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।টুইট করে এই খুনের ঘটনায় সরাসরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মুকুল রায়। তাঁর কথায়, ‘এই ঘটনার পুরো দায়িত্ব মমতার।’