বিজেপি নেতার গাড়িতে ধাক্কা, গ্রেপ্তার তৃণমূল কর্মী

182

রায়গঞ্জবিজেপি নেতার গাড়িতে বাইকের ধাক্কা। ঘটনায় এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করল রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। যদিও কিছু সময় বাদেই তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয় বলেই খবর। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অন্যদিকে, এই ঘটনাকে সামনে রেখে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে পুলিশ বিজেপির হয়ে কাজ করছে। ঘটনায় শাসকদলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের পারদ চড়তে শুরু করেছে।

জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে বিজেপির ওবিসি মোর্চার জেলা সহ-সভাপতি মদন বিশ্বাসের গাড়ি আচমকাই দাঁড়িয়ে পড়ে মাঝ রাস্তায়। সেই সময় পেছন থেকে আসা মোটর বাইকের ধাক্কা লাগে গাড়িতে। ঘটনার পরেই ওই বিজেপির নেতা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাইক আরোহী কুনাল সাহাকে থানায় নিয়ে যায়। গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। যদিও কিছু সময় বাদে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে।

- Advertisement -

এদিকে, কুনাল সাহা তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচিত। সেক্ষেত্রে এই গ্রেপ্তারির ঘটনায় শাসকদলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তাদের অভিযোগ, এইভাবে যদি পুলিশ পক্ষপাতিত্ব করে তাহলে কেউ প্রকাশ্যে তৃণমূল করবে না। নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে যাবে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে না দেখে পুলিশ অন্যায়ভাবে তৃণমূলের এক সাধারণ কর্মীকে হয়রানি করেছে।

এবিষয়ে ওই তৃণমূল কর্মী বলেন, ‘পুলিশ আমার কোন কথাই শোনার চেষ্টা করেনি। শুধু বিজেপি নেতার কথাতেই আমাকে থানায় তুলে নিয়ে গিয়েছিল। এরপর আমার স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয় আমাকে।’

যদিও রায়গঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, বাইক আরোহী মদ্যপ অবস্থায় থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে জামিনে ছাড়া হয়েছে। এখানে কোন রাজনৈতিক বিষয় নেই। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্যই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল।

এবিষয়ে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মানস ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টা আমি জানি। মদন বাবুর জন্যেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। বিষয়টি সামান্য ঘটনা। রঙ চড়ানো হয়েছে তাতে।’

বিজেপি জেলা সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব সরকার বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।’