কমিশনের ডাকা বৈঠক চলাকালীন সংঘর্ষে জড়াল বিজেপি-তৃণমূল

67

বর্ধমান: কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে বৈঠক চলাকালীন সংঘর্ষে জড়াল বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীরা। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার সংহতি মঞ্চ চত্ত্বরে। খবর পেয়ে কাটোয়া থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্বাভাবিকভাবেই ভেস্তে যায় এদিনের বৈঠক। অন্যদিকে, ঘটনা প্রসঙ্গে উভয় পক্ষই প্রশাসনে নালিশ জানিয়েছে। তবে করোনা কালে শতাধিক লোকজনকে নিয়ে এই বৈঠকের আয়োজন কিভাবে করা হল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া মহকুমায় রয়েছে তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র। সেগুলি হল কাটোয়া, কেতুগ্রাম ও মঙ্গলকোট। এই তিন বিধানসভা আসনের ১ হাজারের বেশি বুথের ভোট গণনা রবিবার হবে কাটোয়া কলেজে। কোভিড বিধি মেনে সেই গণনা প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা এবং কাউন্টিং এজেন্টদের যাতে কোনও সমস্যায় পড়তে না হয় সেসব বিষয় নিয়ে এদিন কমিশনে তরফে সর্বদল বৈঠক ডাকা হয়। দুপুর ১২টা নাগাদ কাটোয়ার সংহতি মঞ্চে শুরু হয় বৈঠক। জানা গিয়েছে, ঘণ্টাখানেক বৈঠকে চলার পর কেতুগ্রামের বিজেপি প্রার্থী মথুরা ঘোষ ও কাটোয়া পুরসভা ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সুদিপ্তময় ঘোষের মধ্যে হঠাৎতই বচসা শুরু বেঁধে যায়। পরে তা চরমে উঠলে প্রেক্ষাগৃহের মধ্যেই দু’পক্ষের লোকজন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। ক্রমেই তা সভাকক্ষের বাইরে ছড়িয়ে। লাঠিসোঁটা নিয়ে উভয় পক্ষই একে অপরের উপরের ঝাঁপিয়ে পড়েন। খবর পেয়ে কাটোয়া থানা থেকে বিরাট পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

- Advertisement -

কেতুগ্রামের বিজেপি প্রার্থী মথুরা ঘোষের অভিযোগ, বৈঠকের সময় মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে মতামত নেওয়ার তৃণমূলের লোকজন তাঁদের বলতে বাধা দেয়। তার জন্যেই তাঁরা মিটিং ছেড়ে বেড়িয়ে আসছিলেন। তখন তৃণমূলের লোকজন বিনা প্ররোচনায় তাঁদের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে চড়াও হয়ে মারধর করে।’যদিও তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর সুদীপ্তময় ঘোষ পাল্টা অভিযোগ জানিয়েছেন, বৈঠকে চলাকালীন বিজেপি প্রার্থী মথুরা ঘোষ ও তাঁর দলের লোকজন তাঁদের উপরে চড়াও হয়। তা থেকেই ঝামেলা বেধে যায়।