দীপাবলি শেষেই বাংলার মাটিতে শাহ-নাড্ডারা

579

নয়াদিল্লি: দোরগোড়ায় বিধানসভা ভোট, আর সেই ভোটকে পাখির চোখ সবদলের। বঙ্গে ঘাসফুলের শক্তিবৃদ্ধি যেমন হয়েছে, তেমনই ঘাসফুল শিবিরের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে এবার পদ্ম শিবিরও। আর তাই দলের কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে দীপাবলির পরই বাংলার ভূমিতে সশরীরে প্রচারে নামতে চলেছেন অমিত শাহ, জে পি নাড্ডার মতো ভারতীয় জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা।

বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী দিনে রাজ্যে শাসক শিবিরের আমফান ও অন্যান্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে সরব হওয়া ও অন্যদিকে সংসদে সদ্য পাশ হওয়া কৃষি ক্ষেত্রে সংস্কারমুখী বিলগুলির ইতিবাচক দিক তুলে ধরে গ্রাম-বাংলায় প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিল দল। আগামী ৮ অক্টোবর দলের যুব মোর্চা পরিকল্পনা নিয়েছে নবান্ন অভিযানেরও। বৃহস্পতিবার, বিষয়টিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিলমোহর দিতে বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে করেন পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও রাজ্য নেতারা। তারপরেই দিল্লিতে উপস্থিত বিজেপি সাংসদদের ডেকে নেওয়া হয় দিলীপ ঘোষের বাড়িতে। বুঝিয়ে দেওয়া হয় রণকৌশল।

- Advertisement -

এদিন বিজয়বর্গীয় বলেন ‘দলের প্রচারের কৌশল কী হবে তা নিয়ে প্রথমে জে পি নাড্ডা ও পরে বাংলার সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’

অন্যদিকে, দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ‘সরকারের দুর্নীতি, অরাজকতা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি প্রশ্নে আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। এ ছাড়া আমফান প্রভাবিত এলাকার সমস্ত বিডিও দফতর আগামী ৫ অক্টোবর ঘেরাও করা হবে। তারপরে ৮ অক্টোবর বিজেপির যুব মোর্চার ‘নবান্ন চলো’ অভিযান রয়েছে। তার আগেই পুজোর আগেই একাধিক ভার্চুয়াল সভা করবেন অমিত শাহ ও নড্ডাজি।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ‘কৃষিপণ্য লেনদেন ও বাণিজ্য উন্নয়ন বিল’ এবং ‘কৃষিপণ্যের দামে সুরক্ষা ও কৃষক ক্ষমতায়ন এবং চুক্তি সংক্রান্ত বিল’ ধ্বনিভোটে পাশ করানো হয়েছে। আর এই মুহূর্তে বিজেপির গলার অন্যতম কাঁটাও এই দুই কৃষি বিলই। ইতিমধ্যেই ওই বিলগুলি কৃষক-বিরোধী বলে প্রচারেও নেমেছে তৃণমূল। তাই পাল্টা প্রচারে প্রতিটি জেলায় কৃষি বিল নিয়ে তৃণমূলের প্রচারের জবাব দিতে বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দল। যত দ্রুত সম্ভব গ্রামীণ এলাকায় দলের নেতাদের প্রচারে নেমে পড়তে চলেছে রাজ্য বিজেপি।