টালবাহানা শেষে বিজেপি কর্মী অভিজিতের দেহ পেল পরিবার

134

কলকাতা: ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর একদল তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের হামলায় মৃত্যু হয়েছিল পূর্ব কলকাতার কাঁকুড়গাছির বাসিন্দা বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের। ১৩৭ দিন ধরে হাসপাতালের মর্গে পড়েছিল তাঁর দেহ। অবশেষে বৃহস্পতিবার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে অভিজিতের দেহ সৎকার হয়।

২ মে খুন হন বেলেঘাটা ও কাঁকুড়গাছি এলাকার বিজেপি নেতা অভিজিৎ। মৃত্যুর পর পুলিশ দ্রুত ময়নাতদন্ত সেরে ফেলে। কিন্তু অভিজিতের দাদার দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে আদালত পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়। সেই মোতাবেক আলিপুর কমান্ড হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয়। এরইমধ্যে কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইকে দেয়। সিবিআই আধিকারিকরা তদন্তে নেমে মৃত্যু রহস্য উন্মোচন করেন।

- Advertisement -

বুধবার শিয়ালদা আদালত অভিজিতের দেহ তাঁর দাদা বিশ্বজিৎ সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। সেই মোতাবেক বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ এনআরএস হাসপাতালে যান বিশ্বজিৎবাবু, ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং, উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতা শিবাজী সিংহ রায় সহ বিজেপির অন্য নেতারা। অভিযোগ, নথিপত্র ঠিক থাকলেও দেহ পরিবারের হাতে তুলে দিতে দেরি করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ। এতে উত্তেজনা ছড়ায়। ঝামেলা মিটলে দেহ নিয়ে যাওয়া হয় মধ্য কলকাতায় বিজেপির রাজ্য দপ্তরে। সেখানে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ অন্যরা অভিজিৎকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেখান থেকে তাঁর বাড়িতে দেহ নিয়ে যাওয়া হয়। মরদেহ দেখে অজ্ঞান হয়ে যান অভিজিতের মা। পরে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে দেহ সৎকার হয়।