বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

160

বর্ধমান: দলীয় পতাকা লাগানোয় এক বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসি ১ ব্লকের পোতনা গ্রামে। জখম বিজেপি কর্মীর নাম ঝুলন দত্ত। পোতনা এলাকাতেই তাঁর বাড়ি। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় গলসির পুরসা হাসপাতালে। সেখান থেকে পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঝুলনবাবুর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার এবিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।

গলসির ৫৮ নম্বর জেলা পরিষদ এলাকার বিজেপি সভাপতি রাজু পাত্র বলেন, ‘দলীয় পতাকা লাগানো নিয়ে শুক্রবার ঝামেলার সূত্রপাত। এলাকায় বিজেপির পতাকা লাগানোয় সেদিন শাসক দলের লোকজন ঝুলন দত্তর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে হুমকি দেয়। হুমকি উপেক্ষা করে এদিন বিকেলে রাজু বাগদি পাড়ায় দলের পতাকা লাগাতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী নিধু বাগদি ও ফাগু বাউড়ি ঝুলনকে আক্রমণ করেন। বাঁশের লাঠি দিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। প্রতিবেশীরা আহত অবস্থায় ঝুলনকে উদ্ধার করে প্রথমে পুরসা ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে থেকে পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়।’

- Advertisement -

যদিও তৃণমূল কর্মী নিধু বাগদি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘শুক্রবার রাতে ঝুলন দত্ত মদ-মাংস খেয়ে আমাকে গালিগালাজ করেছিল। এদিন বিকেলে পূর্ব পাড়ায় গিয়ে ঝুলন ফের মদ খেয়ে আমায় গালাগালি করতে শুরু করে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এসব নিয়ে ঝুলনের সঙ্গে হাতাহাতি হয়। বাঁশের লাঠি নিয়ে কোনও মারামারি হয়নি।’

এদিকে, গলসি ১ ব্লক তৃণমৃল যুব সভাপতি পার্থসারথি মণ্ডল বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে জেনেছি, পোতনা গ্রামে যে ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। সবটাই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। অযথা তৃণমূলের নাম জড়ানো হচ্ছে।’