চা শ্রমিকদের দাবি নিয়ে আন্দোলনের পথে বিজেপি শ্রমিক সংগঠন

283

নাগরাকাটা: চা শ্রমিকদের নানা দাবিতে আগামী ছয় মাস ধরে টানা আন্দোলনে নামছে বিজেপি প্রভাবিত চা শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় টি ওয়ার্কাস ইউনিয়ন (বিটিডব্লিউইউ)। এর প্রথম ধাপ শুরু হচ্ছে আগামী ২ ডিসেম্বর ডুয়ার্স, তরাই ও পাহাড়ের বাগানগুলিতে গেট মিটিংয়ের মাধ্যমে। ধাপে ধাপে হবে পদযাত্রা, বাইক ও সাইকেল র‍্যালি, ধর্ণা, অবস্থান বিক্ষোভের মত আরও নানা কর্মসূচী। রবিবার নাগরাকাটার আদিবাসী সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি আহুত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার ইউনিট, ব্লক, জেলা কমিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজেপির শীর্ষ চা শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, ন্যুনতম মজুরি, স্টাফ-সাব স্টাফদের বেতন বৃদ্ধি, চা বাগানের বাসিন্দাদের জমির পাট্টা, ২০০৫ সালে সম্পাদিত বাগানের শ্রমিক পিছু কাজের টাস্কের পুরনো চুক্তির বদলের মতো জ্বলন্ত ইশ্যুগুলি নিয়ে তাদের এই আন্দোলন।

- Advertisement -

এবারে ডুয়ার্স দিল্লিতে যাবে না। কেন্দ্রের মন্ত্রীরা ডুয়ার্সে এসে শ্রমিকদের দাবি দাওয়ার কথা জেনে যাবেন বলেও বিটিডব্লিউইউ জানিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি সাংসদ জন বারলা বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের টানা আন্দোলন শুরু হচ্ছে। শ্রমিকদের বঞ্চনা ও শোষনের অবসান চাই। তৃণমূলের রাজ্য সরকার তাঁদের শুধু ধোঁকা দিয়েছে। এরাজ্যে বিজেপির সরকার আসার পর শ্রমিকরা সুবিচার পাবেন। কেন্দ্রীয় আদিবাসী মন্ত্রীকে ডুয়ার্সে এনে তার হাতে দ্রুত দাবিপত্র তুলে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীকেও চা শ্রমিকদের দূর্দশার কথা সবিস্তারে জানিয়েছি।‘

ভোট এলেই তৃণমূল আদিবাসীদের নিয়ে আন্দোলন শুরু করার কৌশল নেয় বলে বারলার অভিযোগ। তিনি বলেন,এখন দেখছি তৃণমূল চা বাগানে আন্দোলন করছে। যদিও গত ৫ বছর ওদের মুখ থেকে শ্রমিকদের নিয়ে একটা কথাও শোনা যায়নি। তিনি যখন আদিবাসী স্বার্থে আন্দোলন করেন তখন তাঁকে দমিয়ে রাখা হয় বলেও সাংসদের অভিযোগ।

বারলা বলেন, ‘২০০৭ সাল থেকে আদিবাসী স্বার্থে আন্দোলন করছি। আমাকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন সন্তোষ হাতি, রাজেশ বারলার মতো নেতারা।‘