মধ্যরাতের পর ব্ল্যাকআউট পাকিস্তানে

219

ইসলামাবাদ: ব্যাপক যান্ত্রিক বিপর্যয়ের কারণে পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে লোডশেডিং হয়ে যায়। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শনিবার মধ্যরাত ১১টা ৪১ মিনিট নাগাদ একইসঙ্গে একাধিক শহরে বিদ্যুৎ চলে যায়। ব্ল্যাকআউটের জেরে করাচি, রাওয়ালপিণ্ডি, লাহোর, ইসলামাবাদ, মুলতান-সহ একাধিক শহরে বিদ্যুৎ বিপর্যয় হয়। ব্যাহত হয় মোবাইল এবং ইন্টারনেট পরিষেবা। ব্ল্যাকআউটের জেরে করাচিতে জিন্না আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিষেবা চূড়ান্ত বিপর্যস্ত হয়।

- Advertisement -

পাকিস্তানের বিদ্যুৎমন্ত্রী ওমর আয়ুব খান টুইট করে জানান, ট্রান্সমিশন ফ্রিকোয়েন্সি হঠাৎ করে ৫০ থেকে ০ হয়ে যাওয়ার কারণেই এভাবে দেশ জুড়ে ব্ল্যাকআউট হয়েছে৷ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পুরো দেশে পাওয়ার কাট হয়ে যায়৷ মন্ত্রকের তরফে সাধারণ মানুষের কাছে সময় দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়৷ পরে ভোররাত এবং সকালের দিকে একাধিক টুইটে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন শহরে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে দেশের সর্বত্র এখনও বিদ্যুৎ আসেনি বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে। সেই ব্ল্যাকআউটের খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তাল হয়ে ওঠে সোশাল মিডিয়া।

ইসলামাবাদের ডেপুটি কমিশনার হামজা শফাকত টুইট করে জানান, ন্যাশনাল ট্রান্সমিশন ডেসপ্যাচ কোম্পানির (এনটিডিসি) বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে পাকিস্তান জুড়ে অন্ধকার নেমে এসেছে। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুক্ষণ সময় লাগবে।’ রাতেই টুইটারে হ্যাশট্যাগ ব্ল্যাকআউট ট্রেন্ডিং হতে শুরু করে। রীতিমত হাসির খোরাক হয়ে ওঠেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এক নেটিজেন বলেন, ‘অবশেষে কোনও বিষয়ে একজোট হল পাকিস্তান। যা ভাল শুনতে লাগছে।’ অপর এক নেটিজেন বলেন, ‘অবশেষে নয়া পাকিস্তানে নাইট মোড চালু করলেন ইমরান খান।’ অনেকে আবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ব্ল্যাকআউটের ফলে হাসপাতালগুলির পরিষেবা যে ভেঙে পড়বে, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।