পাঁচ বছরের কম বযসি শিশুরা কতক্ষণ স্ক্রিন দেখবে? স্পষ্ট করে জানিযে দিল আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা।
নানা কাজেকর্মে বাবা-মাযেের হাতে কোনো সময নেই। একান্নবর্তী পরিবারও নেই তেমন। তাহলে শিশুকে সামলাবে কে? কেন! স্মার্টফোন আর টিভি। সমস্যা সেখানেই। বন্ধ ঘরে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন বা টেলিভিশনের নীল আলোর সামনে সারাক্ষণ হযতো বসে আছে সে। আর এটাই সবচেযে বেশি সমস্যার। স্মার্টফোন, টিভি বা কম্পিউটার বাচ্চার শারীরিক বাড়বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের অন্তরায হযে দাঁড়ায। ওযার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন (হু) বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ ব্যাপারে একটি স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে। সেই নির্দেশিকায বলা হযেে, শিশুর মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য কম্পিউটার নয, খেলার মাঠই সবচেযে উপযুক্ত।
দুই থেকে চার বছর বযসী শিশুদের যত বেশি করে দৌড়ঝাঁপ, খেলাধুলোয নিযুক্ত রাখা যায, ততই ভালো। এই নির্দেশিকায হু আরও জানিযেে, পাঁচ বছরের কম বযসী শিশুদের টিভি মোবাইল ও কম্পিউটরের সঙ্গে যত কম সময কাটবে, ততই ভালো। খুব বেশি হলে সারাদিনে এক ঘণ্টা। এর বেশি কোনোমতেই নীল আলো পড়তে দেওযা যাবে না তাদের চোখে।