কয়লাখনি থেকে নিখোঁজ যুবকের দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য

296

আসানসোল: ইসিএলের কয়লাখনি থেকে নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। শুক্রবার সকালে এই ঘটনায় আসানসোলের রানিগঞ্জ থানার ইসিএলের  বাঁশরা কোলিয়ারি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। রানিগঞ্জের মঙ্গলপুর গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকার বাসিন্দা মৃত যুবকের নাম সেলিম খান (৩৭)। পুলিশ এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে।

মৃত যুবক কয়লার কারবার করতেন বলে জানা গিয়েছে। আটক যুবক মৃতের বন্ধু ও তাঁর কয়লার কারবারের অন্যতম অংশীদার ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে আসানসোল জেলা হাসপাতালে যুবকের ময়নাতদন্ত হয়। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তাঁর ভিসেরা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাত পর্যন্ত মৃত যুবকের পরিবারের তরফে রানিগঞ্জের পাঞ্জাবি মোড় ফাঁড়িতে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

- Advertisement -

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেলিম খান বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরে রাতে তিনি স্ত্রীকে ফোন করে বলেন তিনি বন্ধুদের সঙ্গে আছেন। সামান্য সমস্যা হয়েছে। সেদিন রাতে সেলিম খান বাড়ি ফিরে আসেননি। শুক্রবার সকাল থেকে সেলিমের খোঁজ শুরু হয়। পরিবারের তরফে পাঞ্জাবি মোড় ফাঁড়ির পুলিশকে সেলিমের নিখোঁজের কথা জানানো হয়।

এরপর পুলিশ সেলিম খান যে বন্ধুর সঙ্গে রাতে ছিলেন তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। সেই বন্ধু পুলিশকে জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে তাঁরা বাঁশরা কোলিয়ারি এলাকায় বসে মদ খেয়েছিলেন। সেই সময় তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ধাক্কাধাক্কিতে সেলিম কয়লাখনিতে পড়ে যায়। সেই বন্ধুর কথা মত পুলিশ কয়লাখনি এলাকায় আসে। প্রায় ৪০ ফুট খনির নীচ থেকে সেলিম খানের দেহ পুলিশ উদ্ধার করে।

প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, মৃত যুবকের শরীরে তেমন কোনও আঘাত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, ওপর থেকে নীচে পড়ে গেলে যেমন আঘাত লাগে, মৃত যুবকের শরীরে তেমনই চিহ্ন রয়েছে। পরিবার অভিযোগ দায়ের করলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে।