১০০ ফুট গভীর খনি থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের দেহ

99

আসানসোল: আসানসোল দক্ষিণ থানার কালিপাহাড়ির কাঁটাঘরের বাসিন্দা ২৩ বছরের যুবক হুসেন আনসারি গত সাত দিন ধরে নিখোঁজ। মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার একটি পরিত্যক্ত কয়লা খনির ১০০ ফুট গভীর থেকে সেই নিখোঁজ যুবকের দেহ উদ্ধার করল ইসিএলের মাইনস রেসকিউ স্টেশনের বিশেষ উদ্ধারকারী দল। উদ্ধারের পর পরিবারের লোকেরা হুসেন আনসারির দেহ সনাক্ত করেন। পরে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর পরিবার সূত্রে পুলিশ জানতে পারে ঘুসিকের পরিত্যক্ত কয়লা খনির ভেতরে পড়ে গিয়েছে ওই যুবক। এরপরেই ইসিএলের আধিকারিকরা আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ, মাইন্স রেসকিউ স্টেশনের দলকে সঙ্গে নিয়ে সোমবার সেই পরিত্যক্ত খনিতে পৌঁছোন। তবে বিষাক্ত গ্যাসের জেরে সেদিন উদ্ধারকাজ স্থগিত রাখা হয়। পরবর্তীতে মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের নিয়ে ইসিএলের সীতারামপুরের মাইনস রেসকিউ স্টেশনের সুপারিনটেনডেন্ট অপূর্ব ঠাকুর।

- Advertisement -

জানা গিয়েছে, উদ্ধার কাজে ব্যবহার করা হয় লোহার তৈরি বিশেষ খাঁচা। যা অনেকটা লোহার উলটো টেবিলের মতো। সেই খাঁচার মধ্যে বিশেষ যন্ত্র লাগিয়ে ক্রেনের সাহায্যে তা খনির ১০০ ফুট গভীরে নামানো হয়। শেষ অবধি দুপুর পৌনে একটা নাগাদ উদ্ধারকারী দলের দুই অভিজ্ঞ কর্মী জামাল খান ও স্নেহাশীষ দত্ত অক্সিজেন সরবরাহ করা ফিল্ম কনটেন্ট ব্রিদিং ইন্সট্রুমেন্ট নামে বিশেষ যন্ত্র নিয়ে খনির ভেতরে পৌঁছান। শেষ অবধি উদ্ধার হয় যুবকের নিথর দেহ।

অপূর্ব ঠাকুর বলেন, ‘শুধু এরাজ্যে নয়, অসমেও এর চেয়ে বেশি গভীর খনির ভেতরে উদ্ধারকার্য চালিয়ে সেখানে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করা হয়েছে অতীতে।’ স্থানীয়দের একাংশের অনুমান, হুসেন আনসারি সহ বেশ কয়েকজন এই পরিত্যক্ত খনির ভেতরে গিয়ে হয়তো কয়লা কাটত। যদিও অনেকের অনুমান, হুসেন আনসারি ওই খনির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বেসামাল হয়ে পড়ে গিয়েছিলেন। ঘটনার তদন্তে পুলিশ।