‘লাইব্রেরি অন হুইল’-এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছোচ্ছে বই

405

রাজা বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় আপাতত লকডাউনের পর এখন আনলক পর্ব চলছে। এরই মধ্যে আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তরফে কলেজের পড়ুয়াদের কথা ভেবে তাঁদের জন্য শুরু হল ‘ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি বা লাইব্রেরি অন হুইল’।

আনলক ও করোনা আবহের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়ুয়াদের পড়াশোনায় যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তারজন্য একটি বাসে করে এই অভিনব উদ্যোগের মাধ্যমে বই নিয়ে আসানসোলের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বই দেওয়া-নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলেজের তরফে অধ্যাপিকা সিকে রেশমা বলেন, ‘১৫ অগাস্ট থেকে এই ব্যবস্থা শুরু করা হয়েছে। যতদিন না কলেজ খুলছে, ততদিন এই ব্যবস্থা থাকবে। আমাদের লক্ষ্য ৩ হাজার পড়ুয়ার কাছে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বই পৌঁছে দেওয়া। ইতিমধ্যেই ৫০০ পড়ুয়ার কাছে আমরা পৌঁছাতে পেরেছি। পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল ও দূর্গাপুর মহুকুমার বেশকিছু জায়গায় এইভাবে পড়ুয়াদের কাছে বই পৌঁছে দিতে পেরেছি। দু’দিন পরে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে যাওয়া হবে। বাইরে যেসব পড়ুয়ারা আছে তাঁদের কাছেও কিভাবে বই পৌঁছানো যায়, তা আমরা দেখছি।’ কলেজের লাইব্রেরিয়ান বিদ্যুৎ পাত্র বলেন, ‘পড়ুয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদেরকে সময় ও জায়গা জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেইমতো তাঁরা বই সংগ্রহ করছে। আবার কেউ কেউ আগে নেওয়া বই ফেরত দিয়ে অন্য বই নিয়ে যাচ্ছে।’

- Advertisement -

‘লাইব্রেরি অন হুইল’-এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছোচ্ছে বই| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

পাশাপাশি তিনি জানান, এভাবে আসানসোলের চিত্রা মোড়, গোপালপুর সহ মোট ৫টি জায়গায় বই দেওয়া ও জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে করোনা আবহে পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে অনেক সুবিধা হবে। এই প্রসঙ্গে কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ পিপি ভট্টাচার্য বলেন, ‘করোনার মধ্যে কলেজের পড়ুয়ারা বিভিন্ন ধরণের গবেষণামূলক কাজ করেছে। তাই আমরা চেষ্টা করছি তাঁদের পাশে থাকার। কলেজ কর্তৃপক্ষ লাইব্রেরি অন হুইলের মাধ্যমে পড়ুয়াদের কাছে বই পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছে। আমরা পড়ুয়াদের সঙ্গে সবসময় আছি। পড়ুয়ারাও কলেজের এই চেষ্টায় খুব খুশি।’