ম্যালকমের গোলে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল

য়োকোহামা : অতিরিক্ত সময়ে গোলে স্পেনকে হারিয়ে অলিম্পিকে সোনা ধরে রাখল ব্রাজিল। শনিবার ইয়োকোহামার নিসান স্টেডিয়ামে সাম্বা ব্রিগেড জিতল ২-১ গোলে। ব্রাজিলের হয়ে অন্য গোলটি ম্যাথিয়াস কুনহার। স্পেলের গোলদাতা মিকেল ওয়ার্জাবল।

এদিন দুপক্ষেই ইউরোপিয়ান ফুটবলের পরিচিত বেশ কিছু নাম ছিল। ব্রাজিলের জার্সিতে ছিলেন ড্যানি আলভেজ, রিচার্লিসন, দিয়েগো কার্লোস, ডগলাস লুইজ, ম্যালকমরা। স্পেনের হয়ে ইউরোর দলে থাকা পেদ্রি, এরিক গার্সিয়া, ড্যানি ওলমো, উনাই সিমন, পাও টোরেস, মিকেলের সঙ্গে ছিলেন মার্কো অ্যাসেন্সিওর মতো তারকা। ম্যাচের ১৬ মিনিটে ব্রাজিলের পতন রক্ষা করেন কার্লোস। তবে প্রথমার্ধের সংযুক্ত সময়ে ম্যাথিয়াসের গোলে এগিয়ে যায় তারাই। ৬১ মিনিটে মিকেলের গোলে সমতা ফেরে। বাকি সময়ে দুপক্ষই একাধিক সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ভালো সেভ করেন স্পেনের গোলরক্ষক সিমন। নির্ধারিত সময়ে খেলা অমিমাংসিত থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৮ মিনিটে ম্যালকমের গোল ব্রাজিলকে এবারের অলিম্পিকে সপ্তম সোনাটি এনে দেয়।

- Advertisement -

৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেন রিচার্লিসন। তবে এদিন ম্যাচ হারলে ভিলেন হতেন এভার্টনের এই ফরোয়ার্ডই। ৩৬ মিনিটে সিমন বক্সের মধ্যে ম্যাথিয়াসকে ফাউল করেন। ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু তা বাইরে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন রিচার্লিসন। এদিন খেলা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে একাধিক রেকর্ড করে ব্রাজিল। টানা তিনবার ফাইনাল খেলল তারা। সবমিলিয়ে খেলল ৫ বার, যেই কৃতিত্ব নেই অন্য কোনও দলেরই। অলিম্পিকের মঞ্চে জিতল টানা ১২ ম্যাচ। ফাইনাল জিতে চতুর্থ দেশ হিসেবে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়নের তকমা ধরে রাখল সাম্বা ব্রিগেড। অন্যদিকে, ১৯৯২ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে সিডনির পর টোকিওতেও রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল।