জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত, ৪০ বছরেও তৈরি হয়নি সেতু

195

তুফানগঞ্জ: তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের অন্দরানফুলবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের যমেরডাঙ্গায় মরা গদাধর নদীর ওপর সুপারি গাছ দিয়ে বেঁধে বাঁশের খুঁটি পুতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যাতায়াত। দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে দাবি জানিয়েও আজও তৈরি হয়নি পাকা সেতু। এদিকে বিপজ্জনকভাবে চলাচলে দুর্ঘটনাও ঘটছে। প্রশাসনকে বহুবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই এবার বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার কথা ভাবছেন স্থানীয়রা।

তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের অন্দরানফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম অন্দরানফুলবাড়ির ৯/১৮৫ নম্বর বুথের খোড়ারপাড় ও যমেরডাঙ্গা এলাকার মাঝ দিয়ে একসময় প্রবাহিত হত গদাধর নদী। প্রায় চার দশক আগে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়। নদীটি অন্যদিক দিয়ে বইতে থাকে। পুরোনো নদীর নাম বদলে হয়েছে মরা গদাধর নদী। স্থানীয়রা একে সাত বউনির নদীও বলেও থাকেন। বছরের ছয়মাস বৃষ্টির জলে পুষ্ট হয়ে ভয়ঙ্কর রূপ ধাণ করে মরা গদাধর নদী। এই নদী পেরিয়েই নিত্যদিন প্রয়োজনে বিপজ্জনকভাবে চলাচল করতে হয় পড়ুয়া, কৃষক সহ স্থানীয়দের। এমনকি রোগীকে তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করাতে হলে পাঁচ-ছয় কিলোমিটার পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছোতে হয়।

- Advertisement -

স্থানীয় বাসিন্দা ললিত বর্মন ও গঙ্গাপ্রসাদ বর্মন জানান, জন্মের পর থেকেই এখানে এভাবেই যাতায়াত করছেন। পাকা সেতুর দাবি জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই এবার আন্দোলনে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে অন্দরানফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ধরনীকান্ত বর্মন জানান, পাকা সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। বর্ষাকালে এই জায়গাটি একটি দ্বীপে পরিণত হয়। সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বহুবার জানানো হয়েছে। আশ্বাস মিললেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আবারও যোগাযোগ করা হবে। তুফানগঞ্জ ১-এর বিডিও দেবঋষি বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।