প্রতিশ্রুতি সত্বেও নির্মাণ হয়নি নয়া সেতু, ক্ষোভে ফুঁসেছন স্থানীয়রা

41

ফাঁসিদেওয়া: গঙ্গারাম চা বাগানের তাইপু নদীর সেতু ভেঙে পড়ার ২ বছর ঘুরলেও নয়া সেতু তো দূরস্থ, বাঁশের সাঁকো পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি সেখানে। স্বাভাবিকভাবেই বর্ষার মরশুমে নদী পেরিয়ে যাতায়াত করছেন একাধিক গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দা। অনেকেই আবার বাগডোগরা, কেষ্টপুর হয়ে কয়েক কিলোমিটার ঘুরপথে যাতায়াত করছেন। এমতাবস্থায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ এনে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা।

পাহাড়ে ব্যপক বর্ষণের জেরে ২০১৯ সালের ১২ জুলাই সকাল নাগাদ সংশ্লিষ্ট চা বাগানের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা পাহাড়ি নদী তাইপুর জলের তোরে ৯০ মিটার দীর্ঘ হিউম পাইপের সেতু ভেসে গিয়েছিল। ফলস্বরূপ সেতুহীন নদীর দু’ধারে হেটমুড়ি সিংহিঝোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রামের বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। গঙ্গারাম ১ এবং ২ সংসদের প্রায় ২৪০০ ভোটার এবং একাধিক গ্রামের বাসিন্দা মিলিয়ে প্রায় ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ নিত্য সমস্যায়। অভিযোগ, সেতু ভেঙে পড়ার দিন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দেওয়ান লিম্বু বাঁশের সাঁকো নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে শেষে ফাঁসিদেওয়ার বিডিও , তৎকালীন শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতিও সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এছাড়াও ঘটনার মাস কয় বাদে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছিলেন  দার্জিলিং সাংসদ রাজু বিস্টা। কিন্তু, প্রতিশ্রুতিই সার বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

- Advertisement -

সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়ে হেটমুড়ি সিংহিঝোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দেওয়ান লিম্বু জানান, গ্রাম পঞ্চায়েতের অর্থে ওই সেতু নির্মাণ সম্ভব নয়। বিষয়টি বিডিও অফিস থেকে শুরু করে মহকুমা পরিষদে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের তরফে মাপজোখও করা হয়েছে বলে মন্তব্য তাঁর। ফাঁসিদেওয়ার বিডিও সঞ্জু গুহ মজুমদার জানান, নতুন সেতু নির্মাণের খরচের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।