দুর্বল ঘোষণার এক বছর পরেও সেতু সংস্কার হয়নি

252

শান্ত বর্মন, জটেশ্বর : এক বছর আগে ৫৯টি সেতুকে দুর্বল ঘোষণা করেছিল আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ। তার মধ্যে ফালাকাটা ব্লকের বীরকিটি সেতুও রয়েছে দুর্বল ঘোষণা করার পর সেতুর দুই মুখে সতর্কীকরণ বোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ওই দুর্বল সেতুর ওপর দিয়ে ৫ টনের বেশি ওজনের যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। তবে এই ঘোষণার এক বছর পরেও কেন সেতু সংস্কারের কাজ শুরু হয়নি, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। তাঁরা জানিয়েছেন, বেহাল সেতুর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারের ৬টি ব্লকে ৫৯টি সেতু দুর্বল ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে ফালাকাটা ব্লকের ১১টি সেতু রয়েছে ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এবং গুয়াবরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে যাতায়াতের মাধ্যম বীরকিটি নদীর সেতুটি দীর্ঘদিন আগে তৈরি হয়েছিল। জটেশ্বর বাজার ও তপসিতলার মধ্যে সংযোগ রক্ষা করার ক্ষেত্রে এই সেতু গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষাধিক মানুষ এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল। এই পথে বহু যাত্রীবাহী, পণ্যবাহী গাড়ি ধূপগুড়ি, শালবাড়ি সহ বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বীরকিটি সেতুর মাঝের একটি স্তম্ভ বসে গিয়েছে সেতুর লোহার পাতগুলিও দুর্বল হয়ে গিয়েছে বহুদিন আগেই। ফলে বেহাল সেতুতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।

- Advertisement -

পথচারী জগদানন্দ রায় বলেন, দুর্বল সেতুর ওপর দিয়ে প্রবল ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি সহ যাতায়াত করতে হয়। সেতুটি অল্পতেই দুলে ওঠে। প্রশাসন বিষয়টি দেখলে ভালো হয়। স্থানীয় বাসিন্দা দিলীপ বর্মন বলেন, জটেশ্বর বাজার থেকে ধূপগুড়ি-শালবাড়ি রাজ্য সড়কে বীরকিটি নদীর সেতু পার হয়ে প্রতিদিন কয়েকশো ছোট-বড় গাড়ি, লক্ষাধিক মানুষ যাতায়াত করেন। দুই চাকার যান চলাচল করলেই সেতুটি দুলে ওঠে। য়ে কোনও মুহূর্তেই ভেঙে পড়তে পারে সেতুটি। প্রশাসন বিষয়টি দেখলে ভালো হয়। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার মলয় গোস্বামী ফোন না ধরায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ সভাধিপতি শীলা দাসসরকার বলেন, দুর্বল ঘোষণা হওয়া ৫৯টি সেতুর মধ্যে ৭টির কাজ চলছে। নতুন ফান্ড এলে বীরকিটি সেতুর কাজ শুরু করা হবে।