নয়াদিল্লি, ৫ জুলাই : আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ১২০১৯-২০২০ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। ইতিমধ্যেই মোদি সরকারের দ্বিতীয় জমানার অর্থমন্ত্রী নর্থ ব্লকে পৌঁছে গিয়েছেন। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্থমন্ত্রীর সামনে সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ গ্রামীণ এলাকার প্রত্যন্ত কৃষিজীবীদের আর্থিক প্রগতির হার বাড়ানো। সেইসঙ্গে মহারাষ্ট্রের মতো খরা-কবলিত দেশের বিস্তীর্ণ এলাকাও অর্থমন্ত্রীর মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

নীতি আয়োগের সমীক্ষা বলছে, দেশের শহর ও গ্রামের শ্রমিকদের আয়ের মধ্যে আর্থিক ফারাক মারাত্মক মাত্রায় পৌঁছেছে। শহরের এক শ্রমিক গ্রামের এক খেতমজুরের থেকে প্রায় আটগুণ বেশি রোজগার করছেন। এই আর্থিক বৈষম্যের ফলে দেশের সার্বিক বিকাশেও ধাক্কা লাগছে। কমিটি অন ডাবলিং অব ফার্মার্স ইনকাম-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে একজন প্রান্তিক কৃষকের বার্ষিক আয় ৭৯ হাজার ৭৭৯ টাকা। এই আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা ছিল মোদি সরকারের। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। আর্থিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি তা বাস্তবায়িত হত, তাতেও এই আর্থিক বৈষম্য কিন্তু মিটত না। নির্মলা এই ফারাক কতটা মুছতে পারেন, তার উপরই কিন্তু দেশের প্রকৃত আর্থিক বিকাশ নির্ভর করবে।

অর্থমন্ত্রীর সামনে দ্বিতীয় বড়ো সমস্যা, দেশের খরা কবলিত এলাকা। মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি ভয়ংকর আকার নিয়েছে। জলের সুরাহা না করতে পারলে আগামীদিনে কেন্দ্রীয় সরকারকে বড়ো সমস্যায় পড়তে হবে, এমন বার্তা ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কানে গিয়েছে। ফলে খরা কবলিত রাজ্যকে সজল করতে অর্থমন্ত্রী কী ব্যবস্থা করেন, তা জানতে উদগ্রীব গোটা দেশ।