হলদিবাড়ি :  একসময় অফিসাররা বসতেন এই ভবনে।এখন সেটি ভূতুড়ে বাড়ির চেহারা নিয়েছে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের অভাবে হলদিবাড়ি শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেলার মাঠ পাড়ায় সেচ দপ্তরের ভবনটি আর সংস্কার করা হবে কিনা সে ব্যাপারে অবশ্য কর্তৃপক্ষ কিছু জানাতে নারাজ।

একসময় সেচ দপ্তরের অফিসাররা নিয়মিত এই ভবনে বসতেন।  এখান থেকে এলাকার বিভিন্ন কাজের তদারকিও করতে তাঁরা। তিস্তা লগ্ন হলদিবাড়ি শহরে অবস্থিত ইই অফিসটির গুরুত্বও অনেকটাই। কিন্তু ভবনটি এখন গুরুত্বহীন। ভবনের দরজা জানলার কাঠ,আসবাবপত্র সব উধাও। ভবনের ভিতর সহ লাগোয়া এলাকা আগাছা সহ আবর্জনায় ভরতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  শুধু ভবনটি নয়, বেশ কয়েকটি পুরানো গাছও রয়েছে ওখানে। কোনো সীমানা প্রাচীর নেই। কংক্রিটের খুঁটি আর কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে ভবনটি। স্থানীয় তপন দে, রুহুল আমিন সরকার,রাজা সরকার প্রমুখ জানান, ওখানে সেচ দপ্তরের যে জমি ও ভবন আছে তা রক্ষণাবেক্ষণের কোনো নজর নেই কারও। বর্তমানে কেউ সেখানে আসেন না।সেটি সংস্কারের উদ্যোগও নেওয়া হয় না। ভগ্নপ্রায় ভবনটি সাপখোপের আস্তানায় পরিণত হচ্ছে।

জলপাইগুড়ি সেচ দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, হলদিবাড়ি শহর সংলগ্ন বেলতলিত এলাকায় দপ্তরের অফিস খোলায় এই অফিসটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে। ভবনটি সংস্কার করা হবে কিনা সে বিষয়ে অবশ্য তিনি কিছু জানাননি।

ছবি: হলদিবাড়ির মেলার মাঠ পাড়ায় সেচ দপ্তরের পরিত্যক্ত ভবন।

তথ্য ও ছবি- অমিতকুমার রায়