গ্রিন জোনে সরকারি বাস পথে নামলেও চলল না বেসরকারি বাস

543

স্বরূপ বিশ্বাস, কলকাতা: উত্তরবঙ্গের তিন জেলা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অল্প সংখ্যায় সরকারি বাস চললেও কোথাও বেসরকারি বাস পথে নামেনি। জেলা প্রশাসন ও বাস মালিকদের মধ্যে এই নিয়ে আলোচনা চলছে দিনভর। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলাতেও আলোচনা হয়েছে। শুক্রবার দিনের শেষে পরিবহন দপ্তর জানিয়েছে, আগামী সোমবার থেকে ৭ জেলাতেই বেসরকারি বাস পথে নামবে। যদিও এই ব্যবস্থা সাময়িক বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সে বিষয়ে একটা বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বেসরকারি বাস মালিকদের একাংশের। তারা চাইছেন সোমবার থেকে পুরো প্রক্রিয়াটি শুরু হোক। বাস পরিষেবা শুরু হলে কি অবস্থা দাঁড়াবে সেটা একটা বড় প্রশ্ন।

বেসরকারি বাসমালিকদের দাবি, ‘আমরা চাইছি সরকার জেলাগুলির জন্য স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করুক।’ রাজ্যের পরিবহন দপ্তরের প্রধান সচিব জানিয়েছেন, আমরা বেসরকারি বাসমালিকদের অনুরোধ করেছি। তারা অন্তত এই ব্যাপারে জেলা শাসকের নির্দেশ মেনে তাদের সঙ্গে কথা বলে তারা সব ব্যবস্থা নিক। আজ কোথাও আলোচনা শেষ হয়েছে এবং কোথাও চলছে। সরকারি বাস চলাচল শুরু হয়েছে আজ থেকে। বেসরকারী বাস সোমবার থেকে চলবে। কিছু জেলায় শনিবার ও রবিবার থেকে চলাচল শুরু হতে পারে। রাজ্যের পরিবহন দপ্তরের অধিকর্তা বলেন, কাল বা পরশু থেকেই সরকারি বা বেসরকারি বাস চলবে। না হলে সোমবার থেকে চালাতেই হবে। এটা একটা কঠিন পরিস্থিতি যার কথা বিবেচনা করে বেসরকারি বাস মালিকদের এগিয়ে আসা উচিত এবং সরকারের পাশে দাঁড়ানো উচিত। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।

- Advertisement -

সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘বেসরকারি বাস চলাচল নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বাস মালিকদের আলোচনা হয়েছে। তবে কিছু প্রশ্ন থেকেই গেল। সোমবার থেকে গ্রিন জোনের জেলাগুলিতে বেসরকারি বাস চালানো হলে সেই সব বাস চলবে কি না সেটা বলা যাচ্ছে না। কারণ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার জন্য বাসের অবস্থার কথাও তো ভাবতে হবে। রাস্তায় নামানোর আগে অনেক কাজও রয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা সরকারের সহযোগিতা চেয়েছি। কুড়ি জন যাত্রী নিয়ে দ্বিগুণ ভাড়া নিয়ে বাস চালানো কঠিন। বাস্তবে কি পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। আমরা অনেক কিছুর পাশাপাশি গ্রিন জোনে বাস চালানো নিয়ে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা চাইছি সরকারের কাছে।’