ডিজিটাল জামাইষষ্ঠীর প্রস্তুতি শাশুড়িদের, আশার আলো দেখছেন ব্যবসায়ীরা

177
সংগৃহীত

আলিপুরদুয়ার: আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরই জামাইষষ্ঠী। বৈদিক যুগ থেকেই জামাইষষ্ঠী পালন হয়ে আসছে। প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ মাসের ষষ্ঠী তিথিতে প্রথম প্রহরে ষষ্ঠী পুজোর আয়োজন করা হয়। তবে, এবছর সেটা আর জ্যৈষ্ঠ মাসে নেই, হচ্ছে আষাঢ়ে। মাসও যেমন বদলে গেছে তেমনি বদলে গেছে সমস্ত অনুষ্ঠান। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত ফিকে হতে চলেছে এই অনুষ্ঠান। তবে, শাশুড়িরা এই অনুষ্ঠান মাটি করতে নারাজ। ফলত তারা ডিজিটাল মাধ্যমে জামাই ষষ্ঠীর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মোবাইল কিংবা ল্যাপটপের সামনে বসেই এবার জামাইদের আশীর্বাদ করবেন শাশুড়ি মায়েরা।

রাজ্যজুড়ে জারি বিভিন্ন বিধি নিষেধ। কিছু পরিষেবা শিথিল হলেও সচল হয়নি পরিবহন। ফলে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার ক্ষেত্রে কষ্ট পোহাতে হবে জামাইদের। তবে, হাল ছাড়তে নারাজ প্রত্যেকেই। আলিপুরদুয়ার শহরের বাসিন্দা মিনতি গোস্বামী জানান, সব নিয়ম মেনে ষষ্ঠী পুজো করবেন। ভার্চুয়ালি সব আয়োজন হবে। আশির্বাদও হবে, উপহারটাও কেনা হবে এবং পরে দেওয়া হবে। জামাইয়ের জন্য একই রকম প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিখা বসু, শ্যামলী দাস সহ প্রত্যেকে।

- Advertisement -

আলিপুরদুয়ারে কর্মরত রতন বসাক বলেন, ‘আমার বাড়ি ময়নাগুড়ি, শ্বশুরবাড়ি ডালখোলা। কাজের ব্যস্ততার জন্য শ্বশুরবাড়ি যাওয়া হয় না। তবে, জামাই ষষ্ঠীতে প্রতিবছর যাই। এবার তো হচ্ছে না। তবে, ভিডিও কল করে সব হবে। নতুন অভিজ্ঞতা হবে।‘ একই কথা বলে শিলাজিৎ রক্ষিতরাও। জামাই ষষ্ঠীর সময় ব্যবসা বৃদ্ধির আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। জামা কাপড় থেকে মাছ, মাংস, মিষ্টি সবেরই বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছেন তাঁরা। আলিপুরদুয়ার চেম্বার অফ কমার্সের সম্পাদক প্রসেনজিৎ দে বলেন, ‘আমরা চাই ব্যবসা বাড়ুক। তবে, করোনা আবহে সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সুরক্ষিতভাবে ব্যবস্থাটা হওয়া প্রয়োজন।‘