দুর্গন্ধে দূষিত বাজারে অতিষ্ট মশলাপট্টির ক্রেতা-বিক্রেতারা

319

হেলাপাকড়ি: দোকানের সামনেই প্রস্রাবাগার। পাশেই আবার মাছ, ব্রয়লার ও মাংসের বাজার। দোকান লাগোয়া রাস্তার উপরে জমে রয়েছে আবর্জনা স্তুপ। দুর্গন্ধে দোকানে থাকতে পাড়ছেন না হেলাপাকড়ি বাজারের মশলাপট্টির ব্যবসায়ীরা। দুর্গন্ধে অতিষ্ট বাজারের ক্রেতা সহ পার্শবর্তী নাগরিকরাও। অভিযোগ, ব্যবসায়ী সমিতি ও হাট মালিককে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সকলের।

দিগেন সরকার, ভোলানাথ পাল প্রমুখ মসলা ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, ‘এমনিতেই প্রস্রাবাগার ও মাছ বাজারের গন্ধ সহ্য করে সারাবছর দোকানদারি করতে হয়। তারপরে আবার দোকান লাগোয়া রাস্তার উপরে জমে রয়েছে আবর্জনার মস্তবড় স্তুপ। সেই আবজর্না স্তুপ থেকেও দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে দোকানে বসে থাকা কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।‘

- Advertisement -

তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, ‘মাছ, ব্রয়লার ও খাসির নাড়ি-ভুঁড়ির মত নোংরা আবর্জনা সহ থার্মোকলের কার্টুন, ঔষধের পুরোনো প্যাকেট, সেলুনের চুল ইত্যাদি সমস্ত কিছুই রাস্তার উপরে ফেলছেন ব্যবসায়ীরা। সেইসব আবর্জনা গোলে-পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। যা থেকে মশা মাছিরও উপদ্রপ বাড়ছে। এতে বাজারে দারুন ভাবে দূষণ ছড়াচ্ছে। এই অবস্থায় দোকানে বসে থাকলে অসুস্থ হয়ে পড়তে হবে। ব্যবসায়ী সমিতি ও হাটের মালিককে লিখিত আকারে জানানো হয়েছে। তারপরেও এব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।‘

বাজারের পাশে বসবাসকারী দীপক পাল, বসন্তদেব অধিকারী প্রমুখ বাসিন্দারা বলেন, ‘মাছ বাজার, প্রস্রাবাগার ও রাস্তার পাশে জমে থাকা আবর্জনার স্তুপের গন্ধ ঘরের ভেতরেও ঢুকে পড়ছে। দুর্গন্ধে মাঝে মধ্যে বাড়িতে টেকাই মুশকিল হয়ে পড়ে।‘ তাই দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পেতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সকলের।

সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন হেলাপাকড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক স্বপন সেন। তিনি বলেন, ‘বাজারের ওই অংশের সমস্যার বিষয়টি সমিতির নজরে রয়েছে। আসলে ব্যবসায়ীদের আবর্জনা ফেলার আলাদা কোনও জায়গা নেই। এতবড় বাজারে ডাম্পিংগ্রাউন্ড না থাকায় দীর্ঘদিন থেকেই এই সমস্যা চলছে। যা বর্তমানে মশলাপট্টিতে বড় আকার নিয়েছে। এবিষয়ে সমিতির তরফে হাট মালিকের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। হাট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে কথা বলে মশলাপট্টির আবর্জনা পরিষ্কার করার পরিকল্পনা চলছে।‘