এখানে জগদ্ধাত্রীর সঙ্গেই পূজিত হন ব্যাসদেব ও নারদ মুনি

86

বর্ধমান: পৌরাণিক ব্যাখ্যা অনুয়ায়ী দেবী জগদ্ধাত্রীর সেবক হিসেবেই মানা হয় ব্যাসদেব ও নারদ মুনিকে। সেই ভাবনাকেই মান্যতা দিয়েই পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের চট্টোপাধ্যায় পরিবারে দেবী জগদ্ধাত্রীর সঙ্গে পূজিত হন ব্যাসদেব ও নারদ মুনি। দেড়শো বছরেরও বেশি সময়কাল ধরে পারিবারিক রীতি মেনে ও ষোড়শ উপাচারে এই পুজো হয়ে আসছে। পারিবারিক পুজো হলেও শক্তির দেবীর আরাধনা ঘিরে মেতে ওঠেন এলাকার বাসিন্দারা।

জামালপুরের কালীতলা পাড়ায় বসবাস বনেদি চট্টোপাধ্যায় পরিবারের। এই পরিবারের কেউ ডাক্তার, কেউ উকিল আবার কেউ সরকারি উচ্চপদে চাকরি করেন।কর্মসূত্রে বছরের বেশিরভাগ সময়টা পরিবার সদস্যরদের কলতাকায় থাকতে হয়। তবে জগদ্ধাত্রী পুজোয় সময় পরিবারের সবাই নিজেদের পৈতৃক বাড়িতে চলে আসেন। সাবেকি বাড়ির এক পাশে রয়েছে দেবী জগদ্ধাত্রীর মন্দির।

- Advertisement -

পরিবারের কন্যা রুনা চট্টোপাধ্যায় জানান, তাঁদের বাড়ির দেবী প্রতিমাতেও রয়েছে বিশেষত্ব। এক চালার কাঠামোয় ত্রিনয়নী দেবী প্রতিমার এক পাশে থাকেন মহাভারতের রচয়িতা ব্যাসদেব। আর অপর পাশে থাকেন নারদ মুনি। জগদ্ধাত্রীপুজোর মন্ত্রেও নারদ মুনি ও ব্যাসদেবের কথা উল্লেখ রয়েছে। পরিবারের ছেলে সৌমাল্য চট্টোপাধ্যায় জানান, পূর্ব পুরুষরা যেমন রীতি ও উপাচার মেনে পুজোর সূচনা করেছিলেন তা মেনে আজও তাঁরা পুজো করে আসছেন। পূর্বে নবমীর দিন ছাগ বলি হলেও এখন তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিবর্তে ছাঁচি কুমড়া বলি দেওয়া হয়। দশমীর পুজো শেষে দামোদর নদে হয় দেবী বিসর্জন।