আইপিএল স্থগিত হওয়ায় হতাশ ইডেন

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : মঞ্চ প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। শুধু হাজির হতে পারলেন না কুশীলবরাই!

ক্রিকেটের নন্দনকাননজুড়ে তাই এখন শুধুই হতাশা। ৯ মে ইডেন গার্ডেন্সে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে কেন উইলিয়ামসনের সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচ ছিল। সেই ম্যাচ দিয়ে চতুর্দশ আইপিএলের ইডেন পর্ব শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরে ছিল আরও ৯টি ম্যাচ। করোনা অতিমারির কারণে প্রতিযোগিতা স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর ইডেনে আপাতত কোনও ম্যাচ নেই। সিএবির অন্দরে হতাশার ছবি। কারণ, ইডেনে আইপিএলের ১০টি ম্যাচ আয়োজন করে সিএবির কোষাগারে অন্তত ১০-১২ কোটি টাকা ঢুকত। সেই অর্থ পাওয়ার আর কোনও সম্ভাবনা রইল না। পাশাপাশি মাঠ, ইলেকট্রনিক্স স্কোরবোর্ড, সল্টলেকের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে মাঠে কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলা ক্রিকেট সংস্থা বড় অঙ্কের খরচ করে ফেলেছে। আইপিএল প্রস্তুতিতে ব্যয় হয়ে যাওয়া সেই অর্থ বোর্ডের থেকে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে করোনার কারণে আইপিএল বন্ধের জন্য সিএবিতে শুধুই হতাশার ছবি।

- Advertisement -

সঙ্গে রয়েছে আগামীর অশনি সংকেতও। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড আগেই ঘোষণা করেছিল, সেপ্টেম্বরে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ঘরোয়া মরশুম শুরুর। নভেম্বরে হওয়ার কথা বিজয় হাজারে। আর ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে শেষ মরশুমে না হওয়া রনজি ট্রফি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিসিসিআই। করোনার কারণে আইপিএল স্থগিত হওয়ার পর অক্টোবরের টি২০ বিশ্বকাপ নিয়ে যেমন সংশয় বেড়েছে। তেমনই ঘরোয়া ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে রয়েছে অচলাবস্থা।

হয়তো এখনই রনজি, বিজয় হাজারে নিয়ে মন্তব্য করা বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। কিন্তু করোনার কারণে বোর্ডের পুরো ঘরোয়া মরসুম বাতিল হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বোর্ডের এক কর্তা এব্যাপারে বলেন, আমরা সেরাটা দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাব। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না কোনওভাবেই। ফলে ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুম নিয়ে অচলাবস্থা চলবে আগামী কয়েক মাস।