টুনবাড়ি চা বাগানে খাঁচা বন্দী চিতাবাঘ

106

মালবাজার: মাল শহরের পাশে টুনবাড়ি চা বাগানে চিতাবাঘ খাঁচা বন্দী হল। বুধবার গভীর রাতে বিশালদেহী পুরুষ চিতাবাঘ খাঁচা বন্দী হয়েছে। এখনও টুন বাড়ি এবং আশেপাশের চা বাগানগুলিতে চিতা বাঘের আতঙ্ক আছে। বন্যপ্রাণ বিভাগ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। মাল ব্লকের বেশকিছু চা বাগানে সম্প্রতি চিতাবাঘের উপদ্রব বেড়েছে। চিতা বাঘের আক্রমণে বেশ কয়েকজন চা শ্রমিক আহতও হয়েছেন। অভিযোগ, চিতাবাঘ শ্রমিক মহল্লায় হানা দিয়ে গবাদি পশু, পাখিও মেরে ফেলছে। টুনবাড়ির পাশাপাশি মাল নদী, গুড়জংঝোড়া, নিদামের মতন চা বাগান গুলিতে আতঙ্কও আছে। সম্প্রতি টুনবাড়ি নদী চা বাগানে চিতাবাঘ ধরতে খাঁচা বসানো হয়। টোপ হিসেবে ছাগল ব্যবহার করা হয়।

বাগানের বড়বাবু মুকুল কোয়ার বলেন, ‘আমরা এদিন গভীর রাতে এই বাগানে চিতাবাঘের গর্জন শুনতে পেরে বুঝতে পারি খাঁচাতে চিতা বাঘ ধরা পড়েছে। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাগানের ১৯ নম্বর সেকশনে খাঁচাতে দেখতে পারি চিতা বাঘ ধরা পড়েছে। বাগানে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। এখনও আরও চিতা বাঘের গতিবিধি বোঝা যাচ্ছে।’

- Advertisement -

টুনবাড়ি চা বাগানের পাশে মাল নদী চা বাগানের ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের বাগানে চিতা বাঘের আক্রমণে অস্থায়ী চা শ্রমিক আশা ছেত্রী আহত হয়েছিলেন। আমাদের বাগানেও চিতাবাঘ ধরতে খাঁচা বসানো আছে।  আমাদের এখানে এখনও চিতাবাঘ ধরা পড়ে নি।’

গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের আওতাধীন মালবাজার বন্য প্রাণ স্কোয়াডের ওয়ার্ডেন দ্বীপেন সুব্বা বলেন, ‘টুন বাড়ি চা বাগানে ধরা পড়া চিতাবাঘটি পুরুষ, পূর্ণবয়স্ক। চিতাবাঘটি সুস্থ ছিল। সেটিকে সুস্থ অবস্থায় গরুমারা বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এলাকায় নজরদারি রেখেছি।’