খাবারের লোভ দেখিয়ে যৌন নির্যাতন, জোড়াবাগান কাণ্ডে স্বীকারোক্তি কেয়ারটেকারের

70
ছবিটি সংগৃহীত

কলকাতা:জোড়াবাগানে শিশুকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় আটক কেয়ারটেকার। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার মোবাইল ফোনও। ঘটনার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, খাবারের লোভ দেখিয়ে নাবালিকাকে নিয়ে গিয়েছিল ওই ব্যক্তি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ওই শিশুর পাকস্থলিতে বিরিয়ানি এবং চিপস মিলেছে। পাশাপাশি মিলেছে যৌন নির্যাতনের প্রমাণও।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পুলিশি জেরার মুখে ওই ব্যক্তি জানান, বুধবার রাতে মোবাইলে চাইল্ড পর্ণগ্রাফি দেখার পাশাপাশি মদ পান করছিলেন তিনি। সেসময়ই ওই বাড়ির দোতলার সিঁড়ির কাছে কিছু শিশুর আওয়াজ শুনতে পান। তখনই নজরে আসে বছর ৯-এর ওই শিশুটি। এরপর তাকে খাবারের লোভ দেখিয়ে ঘরে আনা হয়। সেখানে তাকে চিপস ও বিরিয়ানির সঙ্গে মাদক খাওয়ানো হয়। ঘটনায় অচৈতন্য হয়ে পড়ে ওই শিশুটি। এরপর তাকে ছাদে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করা হয়। কিছুক্ষণ পর চেতনা ফিরতেই তার মুখে ঘুসি মারা হয়। ঘটনায় শিশুটির সামনের চারটি দাঁতও ভেঙে যায়। এরপরেই প্রথমে গলা টিপে ও পরে গলা কেটে খুন করা হয়।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে জোড়াবাগানের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৯ বছরের শিশুর বিবস্ত্র মৃতদেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, শিশুটির বাড়ি শোভাবাজারে। সে তার মামাবাড়ি বৈষ্ণব শেখ স্ট্রিট এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিল। বুধবার রাত থেকেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে এলাকারই অন্য এক বাড়ি থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।