নদীতে জলস্তর বাড়ায় গোরু পাচার রমরমা মুর্শিদাবাদে

152

মুর্শিদাবাদ: ঝাড়খন্ড এবং বিহারে অতিবৃষ্টির ফলে মুর্শিদাবাদে ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ ১০৯টি গেট খুলে দিতে বাধ্য হয়েছে। ফলে জল বেড়েছে গঙ্গা এবংপদ্মা নদীতে। প্লাবিত হয়ে পড়েছে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা থেকে শুরু করে জলঙ্গি পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা। জলবন্দি জীবন কাটাচ্ছে কয়েক হাজার পরিবার। তবে, নদীতে জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় মালদা ও মুর্শিদাবাদের চোরাচালানকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদে বন্যা পরিস্থিতির জেরে এই জেলা থেকে বাংলাদেশে গোরু পাচার বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও সীমান্তে চোরাচালান আটকানোর জন্য উত্তাল গঙ্গা এবং পদ্মা বক্ষে উন্নত প্রযুক্তির নৌকা এবং নাইট ভিশন ক্যামেরা নিয়ে বিএসএফ জওয়ানরা টহল দিয়ে চলেছে।

বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুবছর ধরে মুর্শিদাবাদ জেলাতে গোরু পাচার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে যখনই নদীতে জল বাড়ে তখনই চোরাচালানকারীরা জল পথে গোরু, মোষ পাচারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। গত কয়েকদিনে মালদা জেলার শোভাপুর দিয়ে গোরু পাচার যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনি মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান, লক্ষ্মীনগর, কলাবাগান, প্রতাপগঞ্জ ঘাট প্রভৃতি এলাকা দিয়ে সন্ধ্যে হলেই শুরু হচ্ছে গোরু পাচার।

- Advertisement -

বর্তমানে নদীতে জলস্তর বেশি থাকার কারণে গোরু পাচারের সঙ্গে জড়িত রাখালদের প্রাণের ঝুঁকি বেশি। ফলে একজোড়া গোরু প্রায় ৩০-৫০ হাজার টাকা। বিএসএফের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, বর্তমানে মুর্শিদাবাদে কালাম শেখ, ইলিয়াস শেখ, মেহদুল ইসলাম এবং আরও কয়েকজন এই পাচার নিয়ন্ত্রণ করছেন।