কয়লামন্ত্রকের বিশেষজ্ঞ দল নিয়ে ইসিএলের খনি এলাকায় হানা সিবিআইয়ের

148

আসানসোল: বেআইনি কয়লা পাচারের মামলায় আবারও সক্রিয় ভূমিকায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। এবার সিবিআই হানা পশ্চিম বর্ধমান জেলার শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন বৈধ ও অবৈধ খোলামুখ কয়লাখনিতে। একটি সূত্রের খবর, সোমবারের সিবিআই দলের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রকের স্পেশাল এক্সপার্ট বা বিশেষ বিশেষজ্ঞ দল। এদিন আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশের অন্ডাল থানার অন্তর্গত বক্তারনগর টপ লাইন, হরিশপুর সহ একাধিক জায়গায় অবৈধ ও বৈধ খোলামুখ খনির পরিদর্শন করেন এই দলের সদস্যরা। আরেকটি সূত্রের খবর, ইসিএলের কয়লাখনি ও অবৈধ খোলামুখ খনিগুলি থেকে গত ৫ বছরে কত কয়লা উত্তোলন করা বা তোলা হয়েছে, তা পরিমাপ করার জন্য এদিনের এই অভিযান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক বলেন, ‘সয়েল কেমিক্যাল এনালাইসিস বা মাটি পরীক্ষা করা হবে। সিবিআইয়ের ভাবনা এমনটাই। যার মাধ্যমে বোঝা সম্ভব, কত পরিমাণ কয়লা মাটির নীচে মজুত ছিল, কত কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে।’ এর ফলে কত পরিমাণ কয়লা পাচার হয়েছে, তা বোঝা যাবে বলে সিবিআই অফিসারদের অনুমান। যা এই মামলার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ হবে।

- Advertisement -

প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে এই আসানসোল রানিগঞ্জ কয়লাখনি এলাকায় বেআইনি কয়লা পাচারের মামলার তদন্তে কোমর বেঁধে নেমেছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই এই পাচার চক্রের মূল পুরুলিয়ার অনুপ মাজি ওরফে লালা ও তাঁর সঙ্গীদের খোঁজে বেশ কয়েকবার হানা দিয়েছে সিবিআই। অভিযান চালানো হয়েছে ইসিএলের আধিকারিক ও নিরাপত্তা আধিকারিকদের আবাসন ও অফিসে। লালাকে খুঁজে না পেয়ে গত জানুয়ারি মাসে তাঁর বাড়িতে ফেরার কথা জানিয়ে আদালতের নোটিশ লাগিয়েছে সিবিআই। তাঁর এক সঙ্গীর বাড়িতেও সিবিআই নোটিশ দিয়েছে। যদিও এখনও তাঁরা বেপাত্তা।