ব্ল্যাক ফাঙ্গাস: কি করবেন, কি করবেন না? বাতলে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

176
ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরবঙ্গ সংবাদ নিউজ ডেস্ক: এ যেন ঠিক গোঁদের ওপর বিষফোঁড়া। করোনার দোসর হয়ে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কৃষ্ণ ছত্রাক। বৈজ্ঞানিক ভাষায় যার পোষাকি নাম ‘মিউকরমাইকোসিস’। ইতিমধ্য়ে মহারাষ্ট্র, গুজরাত সহ দেশের একাধিক রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের হদিশ মিলেছে। সেক্ষেত্রে এবার নয়া রোগের মোকাবিলায় উপায় বাতলে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

নয়া এই সংক্রমণে হার খুব একটা বেশি না হলেও মৃত্যুর হার যথেষ্টই বেশি। মূলত করোনা আক্রান্ত যারা সেরে উঠছেন তারাই এই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। এমতবস্থায় এবার সচেতনতা বৃদ্ধি সহ ভাইরাসের দ্রুত চিহ্নিতকরণের উপরই জোর দেওয়ার কথা স্পষ্ট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। শুক্রবার এক বার্তায় তিনি জানান, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ধরা পড়লে কী করা উচিত আর কী নয়। সেবিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে জানান, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় ‘অ্যাম্ফোটেরিসিন-বি’ ওষুধটি ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই ওষুধ সরবরাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

- Advertisement -

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সেরে উঠলেও রৌগীর রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমে যায়। সেসময়ই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বাসা বাঁধে শরীরে। এছাড়াও যে সকল রোগী দীর্ঘদিন ধরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তাঁদের শরীররেও বাসা বাঁধতে পারে এই ছত্রাক। অন্যদিকে যাদের ‘অনিয়ন্ত্রিত’ ডায়াবেটিস রয়েছে, তাঁদের শরীরে এই সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপসর্গগুলির মধ্য়ে অন্যতম চোখ ব্যথা এবং লাল হয়ে যাওয়া। এছাডা়ও জ্বর, মাথার যন্ত্রণা, কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং রক্তবমিও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপসর্গ।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে  যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁদের ‘ব্লাড সুগার’ নিয়ন্ত্রণ এবং গ্লুকোজের পরিমাণের উপর নজর রাখা প্রয়োজন। এছাড়াও প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষা করানোর কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।