নয়াদিল্লি, ২ জুনঃ দ্বিতীয়বার দেশ পরিচালনার হাতে পাওয়ার পরই শিক্ষানীতি নিয়ে বিতর্কের মুখে কেন্দ্র। কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষা নীতির প্রধান তথা ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান কে কস্তুরীরঙ্গননের নেতৃত্বে তৈরি জাতীয় শিক্ষা নীতির খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে, দেশের সব স্কুলে তিনটি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক৷ হিন্দিভাষী রাজ্যে হিন্দির সঙ্গে ইংরেজি ও যে কোনও একটি ভারতীয় আধুনিক ভাষা শিখতে হবে৷ অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে হিন্দি এবং ইংরেজির সঙ্গে শিখতে পারা যাবে একটি আঞ্চলিক ভাষা৷ এই রিপোর্ট কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রক এবং তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রকে জমা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুঁসে ওঠে বিভিন্ন রাজ্য। সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছে দক্ষিণের রাজ্যগুলি। তামিলনাড়ুতে এই শিক্ষানীতি কার্যকর হলে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন ডিএমকে সুপ্রিমো এম কে স্ট্যালিন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়ে যায়। দক্ষিণের অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ কমল হাসনের বক্তব্য, ‘আমি নিজে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছি। কিন্তু হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।’

প্রতিবাদের জেরে অবশেষে কিছুটা পিছু হটেছে কেন্দ্র। শনিবার কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী রমেশ পোখরিওয়াল বলেন, ‘কোনও ভাষা কারও ওপরে চাপিয়ে দেওয়া হবে না। একটি খসড়া জমা পড়েছে। তা মন্ত্রিসভায় যাবে। হিন্দি নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই।’ অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়, ওই রিপোর্ট নিয়ে এখনও কোনও পর্যালোচনাই করেনি সরকার।  এ নিয়ে প্রতিটি রাজ্যের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। আলোচনার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত নীতি তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার।