দশভুজা নয়, উৎমাই চন্ডী রূপে পূজিত হন চতুর্ভুজা উমা

74

দীপঙ্কর মিত্র, হেমতাবাদ: উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রাচীন পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম কাকড় শিং-এর পুজো। হেমতাবাদ ব্লকের রায়গঞ্জ-বালুরঘাট রাজ্য সড়কের পাশে অবস্থিত মন্দিরে দশভুজা নয়, উৎমাই চন্ডী রূপে পূজিত হন চতুর্ভুজা উমা। পুজোর আয়োজনেও রয়েছে বিশেষত্ব। জানা গিয়েছে, উৎমাই চন্ডীর নামে রয়েছে প্রায় ৮ বিঘা জমি। সারা বছর সেই জমিতে চাষ করেন স্থানীয়রা। চাষ করে উপার্জিত অর্থে আয়োজন হয় পুজোর।

লোকমুখে প্রচলিত প্রায় ৫০০ বছর আগে বাংলাদেশের রাজশাহীর জমিদাররা এই পুজোর প্রচলন করেছিলেন। দেশ ভাগের আগে জমিদার স্থানীয়দের পুজোর দায়িত্ব দেন। বর্তমান সময়ে উৎমাই চন্ডীর পুজোকে ঘিরে আয়োজিত হয় বিশাল মেলা। এবছর করোনা আবহে রাজ্য় সহ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশিকা মেনে পুজোর আয়োজন হয়েছে। গ্রামবাসীরা জানান, পুজোর চারদিন গোটাগ্রাম জুড়ে চলে নিরামিষ ভোজন। স্থানীয়দের কথায়, দশমীর পরও দেবী মূর্তি মন্দিরেই থাকে। কারণ, দুর্গা পুজো ছাড়াও মন্দিরে দু’বার পুজো হয়। দশমির পরে অষ্টমঙ্গলা এবং চৈত্র মাসে বাসন্তীরূপে পূজিত হয় এই প্রতিমাই।

- Advertisement -