ইন্দো-পাক সিরিজের সম্ভাবনা কম

দুবাই : ২০১২-১৩ ক্রিকেট মরশুমে শেষবার দেখা হয়েছিল। সাদা বলের সিরিজ খেলতে ভারত সফরে এসেছিল পাকিস্তান। মাঝের সময়ে দীর্ঘ বিরতি।

বিরতি শেষে ইন্দো-পাক দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ফের কবে শুরু হবে, কারোর জানা নেই। আদৌ হবে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। তাছাড়া সময়ে সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুই প্রতিবেশির কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্রমশ খারাপ হয়েছে। শনিবার ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসির সিইও জিওফ অ্যালারডাইসের কথাতেও তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে। আইসিসি প্রতিযোগিতায় দুই প্রতিবেশির মধ্যে ম্যাচ হলেও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এখনই সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেছেন এদিন।

- Advertisement -

দুবাইয়ে আজ আইসিসির বৈঠক ছিল। সেই বৈঠক শেষে সিইও অ্যালারডাইস বলেন, দুই প্রতিবেশি দেশ যখন আইসিসি প্রতিযোগিতায় পরস্পরের মুখোমুখি হয়, তখন ভিন্ন উত্তেজনা তৈরি হয় ক্রিকেট দুনিয়ায়। এই ম্যাচের আবেদনের কথা সবার জানা। তবে আইসিসি প্রতিযোগিতায় সম্ভব হলেও ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজের সম্ভাবনা এখনই দেখছি না। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা কখনই কোনও দেশের বোর্ডের অভন্তরীণ বিষয়ে মাথা গলায় না। ফলে ইন্দো-পাক দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়ে আইসিসি হস্তক্ষেপ করবে না।

সিইও অ্যালারডাইসের কথায়, আইসিসি কখনই কোনও দেশের বোর্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলে না। যদি দুই প্রতিবেশি দেশ তাদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না খেলতে চায়, তাহলে আইসিসির কিছু করার নেই। কারণ, সিদ্ধান্তটা সংশ্লিষ্ট দেশের বোর্ডের। আর সেই সিদ্ধান্তকে আমরা বরাবরই সম্মান জানিয়ে এসেছি। এদিকে, আজ আইসিসি বৈঠকে ইংল্যান্ডের জ্যানেট ব্রিটিন, শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনে ও দক্ষিণ আফ্রিকার শন পোলককে হল অফ ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হল।

পাশাপাশি আইসিসি বৈঠকে তালিবানদের দখলে চলে যাওয়া আফগানিস্তানের ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আইসিসির সিইও দাবি করেছেন, তাঁদের সঙ্গে তালিবানদের বৈঠকে সেদেশে ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি মিলেছে। বিশেষ করে মহিলা ক্রিকেটারদের সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন তালিবানরা। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে মহিলাদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার পথে আইসিসি।