কবিগুরুর দু’পাশে মুখ্যমন্ত্রী-রাজ চক্রবর্তী, সমালোচনার ঝড় বিভিন্ন মহলে

283

বর্ধমান: মঞ্চের একপাশে সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক তথা জামাই রাজ চক্রবর্তীর ছবি। অন্যপাশে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। মাঝে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবির রেখে মহাসমারোহে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালিত হল বর্ধমানের বাজেপ্রতাপুরে। ঘটনায় সমালোচনার শীর্ষে উঠে আসে উদ্যোক্তা তথা বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর শ্বশুরবাড়ির পরিজনরা। অন্যদিকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় দলকেও। সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠে বিরোধী শিবির সহ বিভিন্ন মহল। ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামে শাসককদলের নেতৃত্বরাও।

বর্ধমান শহরের বাজেপ্রতাপপুর এলাকায় বাস রাজ চক্রবর্তীর শ্বশুর-শাশুড়ির। রবিবাসরীয় সকালে তাঁরাই রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ঘটা করে পালিত হয় কবিগুরুর ১৬০তম জন্মদিবস। কবিগুরুর ছবিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান বিধায়কের শ্বশুর-শাশুড়ি। সেসময় দেখা যায় কবিগুরুর একপাশে মুখ্য়মন্ত্রী অন্যপাশে বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় বিভিন্ন মহলে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে কবিগুরুর পাশে কিভাবে ঠাঁই পেলেন দুই রাজনৈতিক মুখ। এনিয়ে অবশ্য কোনও ব্যাখ্য়া দিতে পারেননি বিধায়কের শ্বশুর কিংবা শাশুড়ি।

- Advertisement -

ঘটনা প্রসঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস অবশ্য় জানিয়েছেন বাজেপ্রতাপপুরে সঠিক কি হয়েছে তা জানা নেই।

যদিও বিজেপি নেতা সন্দীপ নন্দী বলেন, ‘যাঁরা এমনভাবে কবিগুরুর জন্মদিবসের আয়োজন করেছেন তাঁরা কেউ অশিক্ষিত নন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর রাজ চক্রবর্তী একই আসনে এটা ভাবাই যায় না!’ তাঁর কথায়, যারা এমনটা করেছেন তাঁরা আদতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই অপমান করেছেন।