ভ্যাকসিনের কালোবাজারি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখবেন মুখ্য়মন্ত্রী

124

পুরাতন মালদা: উত্তরবঙ্গ সফরকালেই রাজ্যের সার্বিক করোনা পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে মালদা থেকে নবান্নের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জরুরিকালীন বৈঠক সারলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, ‘কোভিড ভ্যাকসিন কেনার জন্য ১০০ কোটি টাকার ফান্ড রয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্যে ৯৩ লক্ষ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। আরও এক কোটি ভ্যাকসিন চাওয়া হয়েছে কেন্দ্রের কাছে।’ এরপরেই কালোবাজারি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেন কঠিন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিন করোনা আক্রান্তদের পরিসংখ্যান তুলে ধরে মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, কোনও করোনা রোগী যদি কোনও হাসপাতালে যায়, সেখানে যদি কোনওরকম জায়গা না থাকে, সেই পরিস্থিতিতে সেখানকার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অন্য হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেই রোগীকে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। এবিষয়ে চুড়ান্ত আলোচনা হয়েছে এদিনের বৈঠকে। তিনি আরও বলেন, ‘অনেকগুলো সেফ হাউস আমরা বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত করেছি। এখন আমাদের ১১ হাজার বেড আছে। খুব শীঘ্রই এই বেডের সংখ্যা ১৩ হাজার হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে আমরা ৮০টি বেসরকারি হাসপাতাল অধিগ্রহণ করেছি। ৭০টি কোভিড হাসপাতাল নতুন করে করা হয়েছে।

- Advertisement -

সংক্রমণের পারদ চড়লেও অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার কথা স্পষ্ট করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী। এরপরেই তিনি বলেন, ‘ভ্যাকসিন দামের ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও বিস্তর অভিযোগ শুনতে পাচ্ছি। সরকার নির্ধারিত মূল্য থাকলেও প্রাইভেট সংস্থাগুলোর থেকে বেশি দামে মানুষকে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখব। কারন, এখন ব্যবসা করার সময় নয়। এখন মানুষকে বাঁচানোর সময়। কেউ যদি এই পরিস্থিতিতে ওষুধ নিয়ে ব্যবসা করার চিন্তাভাবনা করেন, তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অক্সিজেন সিলিন্ডারের ওপরও আমরা নজর রাখছি। মানুষ বিপদে পড়লে তাকে সাহায্য করতে হয়। এটার নামই মানবিকতা। তাই আমরা চাই সবাই মানবিকতার খাতিরে একে অপরের সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করুক।’