বসিরহাট, ২০ জানুয়ারিঃ দশম শ্রেণিতে পাঠরতা নাবালিকা ছাত্রীর বিয়ে গ্রামবাসী ও এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মিলে রুখে দিল। সোমবার বসিরহাট মহকুমার হাসনাবাদ থানার বরুনহাট গ্রামের ঢালী পাড়ায় ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, বছর দশম শ্রেণিতে পাঠরতা ওই নাবালিকা ছাত্রীর সঙ্গে হিঙ্গলগঞ্জ থানার কারিগর পাড়ার যুবক পেশায় সেলাই মিস্ত্রি আবু হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হচ্ছিল। নাবালিকাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য, বাড়িতে একটি গোপন প্যান্ডেলও করা হয়েছিল। মেয়ে ওই বিয়েতে রাজি ছিল না। এদিন বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। নাবালিকা কনে সেজে তৈরী, অপেক্ষা শুধু বর আসার। এরইমাঝে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও গ্রামবাসীরা এই ঘটনা জানতে পেরে, হাসনাবাদ থানা পুলিশ ও বিডিও-র কাছে বিষয়টি জানায়। হাসনাবাদের কন্যাশ্রী আধিকারিক প্রণব মুখার্জি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। টাকি অ্যাডাল্ট অফিসার সুনিতা ঘোষও নাবালিকার বাড়িতে হাজির হন। ১৮ বছর না হওয়ায় নাবালিকা এবং তার বাবাকে কন্যাশ্রী, রূপশ্রীসহ সরকারি একাধিক প্রকল্পের কথা জানানো হয়। এরপরই মেয়ের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পারেন। যদিও, ওই নাবালিকা বিয়ে না করে পড়াশুনো করতে চায়। নাবালিকার পরিবার ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বিয়ে দেবেন না, সেই আশ্বাস দিলে তাঁদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।