পাড়ার পার্কে খেলার সামগ্রী পাচ্ছে না শিশুরা

174

রাহুল মজুমদার, শিলিগুড়ি : শহর শিলিগুড়ির ৪৭টি ওয়ার্ডেরই অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ড নিজ বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল। সেরকমভাবেই শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের পরিচিতি একটি পার্ককে কেন্দ্র করে। বাচ্চাদের খেলার এই পার্ককে ঘিরেই সন্ধের পর থেকে উৎসবের মেজাজে থাকে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের শরৎ বোস রোড।  প্রতি সন্ধ্যায় এলাকার ছোট ছোট ছেলেমেয়ে পুনর্মিলন হয় এই পার্কে। বাচ্চাদের ঘোরাতে এসে মাযোও অন্য মায়েছের বান্ধবী হয়ে ওঠেন এই পার্কে। ঝাঁ চকচকে রাস্তাঘাট থেকে দিনে দুবার সাফাইয়ে কাজ করে ওয়ার্ডের মানুষের মন জয় করেছেন স্থানীয় ওয়ার্ড কোঅর্ডিনেটর সুজয় ঘটক। তবে পার্কে বেশ কিছু খেলার সামগ্রী ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। বাচ্চাদের সুবিধার্থে সেগুলি বদলের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা। যদিও টাকা বরাদ্দ হয়েছে। নির্বাচনি আচরণবিধির জন্য কাজ করা যাচ্ছে না, নির্বাচন গেলেই নতুন খেলার সামগ্রী বসানো হবে বলে জানিয়েছেন সুজয়বাবু।

শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট আর পাঁচটা ওয়ার্ডের থেকে অনেকটাই উন্নত। ম্যাস্টিকের প্রলেপ দেওয়া প্রায় প্রতিটি রাস্তাই ঝাঁ চকচকে। তবে ম্যাস্টিকের প্রলেপ দেওয়া রাস্তার ধারে বেশ কিছু জায়গায় জমে রয়েছে নির্মাণ বর্জ্য। অনেক জায়গায় আবার রাস্তার ওপর বালি-পাথরও পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। ম্যাস্টিক রাস্তায় বালি-পাথর পড়ে থাকায় মাঝে মাঝে ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটছে। স্থানীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকছে এই নির্মাণ বর্জ্যগুলি। যদিও ওয়ার্ড কোঅর্ডিনেটর সুজয় ঘটকের দাবি, কিছুদিন ধরে কিছু জায়গায় নির্মাণ বর্জ্য রয়েছে। তাঁর দাবি, ওয়ার্ডের গলিগুলি ছোট হওয়ায় আর্থমুভার ভেতরে ঢুকতে পারে না। তাই সেখান থেকে ভ্যান দিয়ে নির্মাণ বর্জ্য সংগ্রহ করে বড় রাস্তার ধারে জমা করা হয় এবং সেখান থেকে লরি এবং আর্থমুভার  দিয়ে বর্জ্য তোলা হয়।

- Advertisement -

অন্যদিকে, ওয়ার্ডের নিকাশিনালাগুলি স্ল্যাব দিয়ে ঢাকা থাকে। তাই নালাগুলি পরিষ্কার করার সময় ওপর ওপরেই পরিষ্কার করা হয় বলে অভিযোগ। এতে বর্ষার সময় নালার জল উপচে রাস্তায় চলে আসে। যদিও শিলিগুড়ি পুরনিগমের এই ওয়ার্ডেই দিনে দুবার সাফাই কাজ হয়। সকালে নিয়ম করে যেমন ওয়ার্ডে পরিষ্কার হয় তেমনই দুপুর তিনটের পর ফের একবার ওয়ার্ড পরিষ্কার করা হয়। ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাকিমপাড়ার বলাইদাস চ্যাটার্জি রোড এবং শরৎ বোস রোডেই শহরের অধিকাংশ কমার্শিয়াল অফিসের শাখা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ষাটোধ্বর্র্ অখিল সরকারের কথায়, ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট ভালোই রয়েছে। কিন্তু রাস্তার ধারে নির্মাণ বর্জ্য জমে থাকে। ওয়ার্ডের নিকাশিনালাগুলি স্ল্যাব দিয়ে ঢেকে দেওয়ায় ভালোমতো পরিষ্কার করা যায় না। তবে কাউন্সিলারকে সবসময় পাওয়া যায়।