বিপ্লব হালদার, তপন : গোল্লাছুট। আর ওমনি গোল্লাছুটে গেল। না, রসগোল্লার কথা বলছি না। বলছি  শৈশবের গোল্লাছুট খেলার কথা। ইন্টারনেটের যুগে হারিয়ে যাচ্ছে বহু পুরনো খেলাই। হারিয়ে যাচ্ছে শৈশবের গোল্লাছুট, চুকিতকিত, কুমিরডাঙা, এক্কাদোক্কা, কানামাছি। বরং খুদে পড়ুয়ারা এখন মোবাইলে ডুবে থাকছে। এই হারিয়ে যাওয়া গ্রাম্য খেলাগুলিকে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হল শিক্ষা দপ্তর। সেই সব হারিয়ে যেতে বসা গ্রাম্য খেলা ফিরিয়ে আনার পথে চলা শুরু করল তপনের প্রাথমিক স্কুলগুলি।

তপনের অবর দুই বিদ্যালয় পরিদর্শক বিজয়াশিস ঘটক ও নীলাদ্রি দত্ত বলেন, প্রায় ১৬টি খেলা তপনের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে চালু হল। প্রতিদিন মিড-ডে মিল খাওয়ার আগে ছাত্রছাত্রীরা প্রায় ৪০ মিনিট এই খেলাগুলো খেলবে। এই খেলাধুলোর ছলে ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়াও শিখতে পারবে। এতে খুশি অভিভাবকরাও। সুকুমার রায় নামে এক অভিভাবক বলেন, ছোটবেলায় আমরা কতরকম খেলা খেলেছি। কিন্তু এখনকার ছেলেমেয়েরা অনেকেই সেই খেলাগুলোর নাম পর্যন্ত জানে না। কীভাবে খেলতে হয়, সেটাও জানে না। শুধু মোবাইলে সারাদিন মাথা গুঁজে থাকছে।  স্কুলগুলিতে ছোটবেলার হারিয়ে যাওয়া খেলা চালু হওয়ায় আমরা ভীষণ খুশি।

- Advertisement -

আরেক অভিভাবক অসিত সরকার বলেন, আমাদের ছেলেবেলায় খেলাগুলি খুব মজাদার ছিল। এখনও খেলতে ইচ্ছে করে। কিন্তু বয়স ও সময় বদলে যাওয়ায় এখন আর সম্ভব নয়। নয়ন বর্মন, অনিমা রায়, সায়ন হালদারদের মতো পড়ুয়ারা জানায়, এসব খেলা তাদের বেশ ভালোই লাগছে।