এটিএসের হেপাজতে চিনা গুপ্তচর

164

মালদা: চিনা গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত হান জুনেইয়ের ল্যাপটপের পাসওয়ার্ড এখনও ক্র্যাক করতে পারেনি পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে তদন্তে গতি আনতে হানকে নিজেদের হেপাজতে নিল উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড বা এটিএস। লখনউয়ে পুলিশের খাতায় হান আগে থেকেই মোস্ট ওয়ান্টেড। এমনকি ইন্টারপোলের তরফে তার নামে ব্লু-কর্নার নোটিশও জারি করা হয়েছিল।

হান জুনেই সাইবার বিশেষজ্ঞ বলে অনুমান পুলিশের। ভারতে সাইবার হানার পরিকল্পনা নিয়েই অনুপ্রবেশ করেছিল সে।  ভারতের অর্থনীতিতে বড়সড় ধাক্কা দেওয়াই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য। সাইবার বিশেষজ্ঞ হানের শরীরে চিপ বসানো থাকতে পারে বলেও অনুমান করা হয়েছিল। তবে এখনও পর্যন্ত সেরকম কিছু পাওয়া যায়নি। ওই গুপ্তচর দীর্ঘদিন ধরেই সাইবারক্রাইমের সঙ্গে যুক্ত। ভারত থেকে প্রচুর মোবাইল সিম কার্ড ভুয়ো নথি অন্তর্বাসের মধ্যে লুকিয়ে পাচার করত সে। শুধু তাই নয় চিনে প্রচুর ডেটাবেসও পাচার করেছে হান। এই কাজে তাকে সহযোগিতা করত তার বন্ধু সান জিয়ানং। তাকে লখনউ এটিএস আগেই গ্রেপ্তার করেছে।

- Advertisement -

 গত ১০ জুন কালিয়াচকের মিলিক সুলতানপুর বিওপি এলাকা দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে হান। তারপরই বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে যায়। বিএসএফের সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি এসএস গুলেরিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই সাইবার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হান। জাল নথি দিয়ে সে ভারতে তেরোশোও বেশি সিম তুলেছে। সিম কার্ডগুলি ব্যবহার করে ভারতীয় নাগরিকের অথবা ভারতীয় সৈন্য বাহিনীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ভারতের অর্থনীতিতে আঘাত হানতে চেষ্টা করেছে হান। ভারত ও বাংলাদেশের সাইবার চক্র চালাত সে। বাংলাদেশের ঢাকা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে সহ বিভিন্ন জায়গায় তার চিনা বন্ধু রয়েছে। তারাও এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।‘