কী মতলবে দেশে ঢুকতে চেয়েছিল চিনা গুপ্তচর ? তদন্তে এনআইএ

348

কালিয়াচক: চিনা গুপ্তচর হান জুনেইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পৌঁছলো এনআইএ। শুক্রবার সকালেই এনআইএর একটি টিম মহদীপুর  সীমান্ত চৌকিতে পৌঁছায়। তারপর দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় হানকে। এনআইএ সূত্রের খবর, চিনা নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এনআইএ নিজের হেফাজতে নিতে পারে হান জুনেইকে। বৃহস্পতিবার সকাল ওই চীনা নাগরিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুখীন হয় বিএসএফ আধিকারিকরা। তাই পুলিশের হাতে তুলে দিতে দেরি হয়েছে বলে বিএসএফের  তরফে জানানো হয়।শুক্রবার বিকেলে পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেন বিএসএফ আধিকারিকরা। এদিন বিকেলে কালিয়াচকের গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেওয়া হয়।

বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গুপ্তচরকে জিজ্ঞাসাবাদে উঠেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। হান জানিয়েছেন এর আগে বেশ কয়েকবার তিনি ভারতে এসেছেন। ২০১০ সালে প্রথম ভারতে এসেছিল সে। ২০১৯ সালে শেষবার এসেছিলেন ভারতে। কিন্তু এইবার ভারতে আসার ভিসা পাননি হান। তাই ২ জুন বাংলাদেশ আসেন তিনি। কিছুদিন ঢাকায় কাটিয়ে ৮ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ এলাকায় পৌঁছান। সেখানে দু’দিন কাটিয়ে ১০ জুন হান কাঁটাতার টপকে ভারতে ঢোকার চেষ্টা চালান। সেখানেই গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। দিল্লিতে স্টার স্প্রিং নামে একটি হোটেল চালাতো হানের এক বন্ধু। যার কাছে থেকে ভারতের সিম পেতো সে। সেই বন্ধুকে গ্রেপ্তার করার পর হানকে খোঁজা শুরু করে এটিএস।

- Advertisement -

হানের কাছে থেকে একটি ল্যাপটপ, দুটি আইফোন, একটি বাংলাদেশি সিম, দুটি চাইনিজ সিম, একটি ভারতীয় সিম, তিনটি ব্যাটারি,দুটি পেনড্রাইভ, পাঁচটি টাকা লেনদেনের মেশিন, দুটি এটিএম মাস্টার কার্ড, বেশকিছু ইউ এস ডলার, সামান্য কিছু বাংলাদেশি টাকা, কিছু ভারতীয় টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তার কাছে থেকে প্রাপ্ত জিনিস গুলি খতিয়ে দেখলে অনেক তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে বিএসএস। তবে এনআইএ তাকে নিজের হপাজতে নেওয়ার আর্জি করবে বলে সূত্রের খবর।