ক্ষতি সামলাতে যা পদক্ষেপ নিলেন মাশরুমচাষিরা

113

চোপড়া: কার্যত লকডাউনে বাইরের বাজারে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না মাশরুম। তাই বাড়িতেই ওই মাশরুম দিয়ে আচার, পাঁপড়, বড়ি সহ নানান খাদ্যসামগ্রী তৈরির কাজ শুরু করেছেন চোপড়ার চাষিরা।

উৎপাদিত মাশরুম যাতে কোনওভাবে নষ্ট না হয় সেজন্য তা দিয়ে নানান ধরনের খাবার তৈরি করে আপাতত প্যাকেটজাত করে রাখা হচ্ছে। পরেও সেগুলি যাতে বিক্রি করা যায় এই ভাবনা চিন্তায় এগোচ্ছেন এলাকার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চাষিরা। চোপড়া ব্লকের চাষিদের উৎপাদিত মাশরুম বিক্রির বড় বাজার শিলিগুড়ি। তাঁরা শিলিগুড়িতে মাশরুম পাঠান বা নিজে গিয়ে বিক্রি করে থাকেন। কার্যত লকডাউনে বাস বা অন্য গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় আপাতত উৎপাদিত মাশরুম পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।

- Advertisement -

সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধন্দুগছ গ্রামের মহিলা চাষি অঞ্জলি বোসদার জানান, এবার তাঁরা মূলত মিল্কি ও ঝিনুক মাশরুম চাষ করেছেন। এলাকায় এখনও মাশরুম বিক্রির তেমন চল নেই। শিলিগুড়ি, কার্শিয়াং, পানিট্যাঙ্কি যাওয়ার গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় সেগুলি বাইরে পাঠানো যাচ্ছে না। তাই উৎপাদিত মাশরুম থেকে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বানানো হচ্ছে।

উত্তর দিনাজপুর কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ ডঃ অঞ্জলি শর্মা জানান, এলাকার মাশরুম চাষিদের মধ্যে অনেকেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। গতবারও তাঁরা এধরনের খাদ্যসামগ্রী তৈরি করেছিলেন। এবারও কয়েকজন এই কাজ শুরু করেছেন।