ঋদ্ধিদের খবরে চাপে পড়ে যান মরিসরা

নয়াদিল্লি : কোটি কোটি টাকা খরচ করেও শেষরক্ষা হয়নি।

বায়ো-বাবল ভেদ করে ঢুকে পড়ে কোভিড ভাইরাস। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে যা নিয়ে প্রবল সমালোচনার মধ্যে পড়তে হয়েছে। যদিও আইপিএলের বায়ো-বাবল ব্যবস্থা নিয়ে বিসিসিআইকে দরাজ সার্টিফিকেট দিচ্ছেন গ্রেম স্মিথ।

- Advertisement -

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, আমি ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলেছি। ওরাও জানিয়েছে জৈব সুরক্ষা বলয়ে নিরাপদেই ছিল। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, এমনটা কখনই মনে হয়নি। কিন্তু সবরকম সাবধানতার পরও কোভিড এড়ানো গেল না। অবশ্য সৌরভ ব্রিগেডকে দুষতে নারাজ। স্মিথের যুক্তি, জৈব সুরক্ষা বলয় কখনই ১০০ শতাংশ নিরাপদ নয়। কোভিডের বাড়বাড়ন্তের মধ্যে বায়ো-বাবলেও ভাইরাসের প্রবেশ আটকানো কঠিন। দুর্ভাগ্য সেটাই হযোছে।

এদিকে, অস্ট্রেলিয়া বোর্ডকেও একহাত নিয়েছেন গ্রেম স্মিথ। কোভিডের কারণে অজি দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে স্মিথের অভিযোগ, আমরা করোনা পরিস্থিতিতে ১৫-১৬টি বায়ো-বাবল তৈরি করে ক্রিকেট আয়োজন করেছি। কোনও সমস্যা হয়নি। এখানে আক্রান্তও খুব কম। কিন্তু তারপরও স্বাস্থ্য-নিরাপত্তার অজুহাতে সফর বাতিল করে অজিরা। অথচ, সেই ক্রিকেটাররাই আইপিএলে খেলেছে। এটা দ্বিচারিতা ছাড়া কী?

আইপিএল নিলামের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ক্রিস মরিস আবার আশঙ্কার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। দাবি করেন ঋদ্ধিমান সাহাদের আক্রান্ত হওয়ার খবর শোনার পর সবাই ঘাবড়ে গিয়েছিল। দেশে ফিরে মরিস বলেছেন, কেকেআরের দুজন আক্রান্ত হওয়ার পরই বুঝে গিয়েছিলাম, এর প্রভাব লিগে পড়বে। এরপর ঋদ্ধিমান সাহা ও অমিত মিশ্রের খবর আসা এবং আইপিএল বন্ধের পর সবাই চিন্তায় পড়ে যায়। দেশে কীভাবে ফিরব, এরকম পরিস্থিতিতে হোটেলে থাকা কতটা নিরাপদ, সবকিছু নিয়ে চাপে ছিলাম। শেষপর্যন্ত দেশে ফিরে যেন নতুন করে জীবন পেলাম।

বিসিসিআইকে অবশ্য কোনওভাবে দুষতে নারাজ মরিস। তাঁর মতে, কাউকে দোষারোপ করা সহজ। আসলে আইপিএল শুরুর সময় ভারতের করোনা পরিস্থিতি এরকম ছিল না। অনেকে হয়তো বলছেন, খারাপ পরিস্থিতিতে কেন ক্রিকেট। কিন্তু মনে রাখা উচিত, আইপিএলের ওপর অনেকের জীবিকা নির্ভর করে। তাছাড়া কঠিন সময়ে মানুষকে মানসিকভাবে ভালো থাকার রসদও জোগাচ্ছিল আইপিএল। তাই এনিয়ে বিসিসিআইকে দোষ দেওয়া অনুচিত।