কী হয়েছিল বুঝতে চাইছেন এরিকসেন

কোপেনহেগেন : ফিনল্যান্ড ম্যাচের ৪১ মিনিটে কী হয়েছিল তাঁর? হাসপাতালে বসে একথাই ভাবছেন ড্যানিশ মিডফিল্ডার ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন।

শনিবার এরিকেসেনের মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ার দৃশ্য নাড়িয়ে দিয়েছে ফুটবল বিশ্বকে। সিডনি থেকে সানফ্রান্সিসকো, কোপেনহেগেন থেকে কেপটাউন- তাঁর সুস্থতার কামনা শোনা গিয়েছে তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ সমর্থক সকলের মুখে। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ধাক্কা সামলে এখন অনেকটাই সুস্থ এরিকসেন। জাতীয় দল এবং ক্লাব ইন্টার মিলানের সতীর্থদের সঙ্গে ফেসটাইমে আড্ডাও দিয়েছেন। সেথানে সতীর্থদের তিনি বলেন, আমার জন্য যা করেছ, তার জন্য তোমাদের ধন্যবাদ। এখন অনেকটাই সুস্থ আছি। তবে আমার কী হয়েছিল এখনও বুঝতে পারছি না। শীঘ্রই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরার বার্তা দিয়েছেন ২৯ বছরের এই তারকা।

- Advertisement -

তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে দেখা করতে গিয়েছিলেন সতীর্থ ক্যাস্পার স্কিমিচেল, মার্টিন ব্রেথওয়েট, পিয়ের-এমিল হোজবার্গরা। স্কিমিচেল বলেন, সেসময় আমি ভাবছিলাম, যদি ওর পরিবর্তে আমার সঙ্গে এমন কিছু হত! জানতাম ওর বাবা, মা, স্ত্রী গ্যালারিতে আছে। তাই বারবার ওদের দিকে তাকাচ্ছিলাম। ব্রেথওয়েটের বক্তব্য, আমরা ভেবেছিলাম এক সতীর্থ তথা বন্ধুকে হয়তো চিরতরে হারিয়ে ফেললাম। সেসময় প্রার্থনায় কী বলেছিলাম মনে নেই। তবে এই ঘটনা আমার বিশ্বাসকে আরও শক্ত করবে। হোজবার্গ জানিয়েছেন, এরিকসেনের চোখ সাদা হয়ে যেতে দেখে তিনি ধীরে ধীরে মাঠ ছেড়ে গিয়ে বেঞ্চে বসে পড়েন।

মাঠে প্রায় ১৩ মিনিট সিপিআর দেওয়া হয় এরিকসেনকে। যদিও জ্ঞান ফেরার পর আগে সতীর্থদের খোঁজ নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ডেনমার্কের কোচ ক্যাস্পার জুলম্যান্ড বলেন, ও পরিবার আর আমাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। পরে আমাকে বলেছে, আমার কী হয়েছে মনে নেই। তবে আমি তোমাদের নিয়ে ভাবছিলাম। এটাই ক্রিশ্চিয়ান। একজন ভালো ফুটবলার এবং অসাধারণ মানুষ। হাসপাতালে স্ত্রী সাব্রিনা ও পরিবারের অন্যরা এরিকসেনের সঙ্গে রয়েছেন।