নিয়ম না মেনে বেড়েছে ভাড়া, ক্ষোভ বাড়ছে যাত্রী মহলে

159

শিলিগুড়ি: কোনও প্রকার আলাপ-আলোচনা ছাড়াই আনলক পর্বের শুরুতেই করোনার দোহাই দিয়ে রাতারাতি সিটি অটো ভাড়া বৃদ্ধি করেছিল চালকেরা। যার মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। ঘটনায় ক্ষোভের পারদ চড়তে শুরু করেছে শিলিগুড়ির যাত্রী মহলে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্য়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রশাসনিক মহলের কর্তা-ব্যক্তিরা। দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমস্যা সমাধেনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। যদিও, বাস্তবে তার কতটা প্রতিফলন পড়বে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। যদিও শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক প্রিয়দর্শীনী এস বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

লকডাউন পরবর্তীকালে বাস, ট্রেনের পাশাপাশি স্থানীয় গন পরিবহনের অন্য়তম মাধ্য়ম সিটি অটোতেও পরিষেবা চালু হতেই লাগু হয় সামাজিক দূরত্ব বিধি। সংক্রমণ মোকাবিলায় আসন সংখ্যার তুলনায় যাত্রী কমিয়ে আনা হয়। এরপরেই সিটি অটো চালকেরা জোটবদ্ধ হয়ে রুট প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেন। এনিয়ে সিটি অটো ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনও প্রকার আলোচনা হয়নি বলেই অভিযোগ। চালকদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আনলক পর্বের গোড়াতেই সেই নয়া ভাড়া লাগু হয় শহর জুড়ে৷ তবে অভিযোগ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে বিধিনিষেধ শিকেয় ওঠে। সামাজিক দূরত্ব বিধিকে কোনঠাসা করে অবাধে যাত্রী তোলার কাজ শুরু করেন সিটি অটো চালকেরা। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আসন সংখ্যার চেয়েও বেশি যাত্রী তোলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তবে, বর্ধিত ভাড়া যা কি তাই।

- Advertisement -

যাত্রীদের অভিযোগ, করোনার পর থেকেই ভাড়া আচমকা বাড়ানো হয়। প্রথমে বলা হয়েছিল যাত্রী সংখ্যা কম, তাই ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে। যদিও, এথনও সেই বর্ধিত হারেই ভাড়া নেওয়া হচ্ছে আমাদের থেকে।

সিটি অটো চালকেরা জানিয়েছেন ভাড়া বৃদ্ধির কথা সবাই জানেন। এবিষয়ে জগন্নাথ মালাকার নামে এক চালক বলেন, সব রুটেই ভাড়া বেড়েছে। 

এবিষয়ে সিটি অটো ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদক প্রসূন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন আলোচনা করে কোন প্রকার ভাড়া বৃদ্ধি হয়নি।