তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে সরগরম মহিষকুচি, গ্রেপ্তার ৪

158

বক্সিরহাট: রাজনৈতিক সংঘর্ষে সরগরম বক্সিরহাটের মহিষকুচি ১ অঞ্চল। অভিযোগ, তৃণমূল অঞ্চল যুব সভাপতির ওপর হামলা করে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার পরই দলের কর্মীর দোকানে ভাঙচুর চালানো হয় বলে পালটা অভিযোগ তোলে বিজেপি। ঘটনায় দুই দলের মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তৃণমূল যুব’র তুফানগঞ্জ ২ ব্লক সহ সভাপতি তথা মহিষকুচি ১ অঞ্চলের বাসিন্দা মহেশ বর্মন জানান, শনিবার মহিষকুচি তৃণমূল দপ্তরে তৃণমূল যুব’র আঞ্চলিক কমিটির বৈঠক ছিল। বৈঠক শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল যুব’র অঞ্চল সভাপতি তাপস বর্মন। সেই সময় বিজেপি আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাপসের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম হন তাপস। তাঁকে উদ্ধার করে কোচবিহারের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। তবে পরে কোথাও কোনও বিজেপি কর্মীর বাড়িঘর বা দোকানে কেউ ভাঙচুর চালিয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তাঁদের জানা নেই বলে দাবি করেন মহেশ বর্মন। তাঁর কথায়, এই ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে কোনও তৃণমূল কর্মী জড়িত নয়। জেলায় মানবাধিকার কমিশনের লোক আসায় বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক মালতী রাভা শান্তিপূর্ণ তুফানগঞ্জ ২ ব্লক এলাকায় পরিকল্পনা করে বিশৃঙ্খলা বাধিয়ে এলাকাকে অশান্ত করতে চাইছে বলে অভিযোগ সহ সভাপতির।

- Advertisement -

অপরদিকে, বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রীক সহ সংযোজক বিমল পাল বলেন, ‘গতকাল রাতে মহিষকুচিতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর জেরেই তাদের যুব নেতা আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। আর গোষ্ঠী কোন্দলকে ধামাচাপা দিতে বিজেপি কর্মীর ঘারে দোষ চাপিয়ে ওই রাতেই মহিষকুচি বাজারে আমাদের দুই কর্মীর দোকানে ভাঙচুর চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তারা পালিয়ে যায়।’ এব্যপারে বক্সিরহাট থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। এদিকে, গোটা বিষয়টি তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে হয়েছে বলে দাবি করেন তুফানগঞ্জের বিধায়ক তথা বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সহ সভানেত্রী মালতী রাভা।

বক্সিরহাট থানার ওসি শুভজিৎ ঝা জানান, দু’দলই অভিযোগ জানিয়েছে। তার ভিত্তিতে দুই দলের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশের টহলদারি চলছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।